Yalta Conference–এর একটি লক্ষ্য ছিল:
সঠিক উত্তর
গজাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা ইয়াল্টা সম্মেলনের একটি লক্ষ্য জানতে চেয়েছে। উত্তর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা।
১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রিমিয়ার ইয়াল্টায় যুক্তরাষ্ট্রের রুজভেল্ট, ব্রিটেনের চার্চিল ও সোভিয়েত ইউনিয়নের স্তালিন মিলিত হন। তাঁরা যুদ্ধোত্তর বিশ্বের রূপরেখা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন।
সেখানে ঠিক হয়, জাতিসংঘ গঠনের জন্য ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে সান ফ্রান্সিসকোতে সম্মেলন ডাকা হবে; নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যদের ভোটপদ্ধতি, যা থেকে ভেটো ক্ষমতা, তাও চূড়ান্ত হয়। জার্মানিকে দখল অঞ্চলে ভাগ করা আর জাপানের বিরুদ্ধে সোভিয়েত যুদ্ধে যোগদানের বিষয়ও সেখানে ঠিক হয়।
জার্মানির কাছ থেকে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ আদায় নিয়েও আলোচনা হয়েছিল, তাই ক্ষতিপূরণের বিকল্পটি বিভ্রান্ত করে। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল না; ইয়াল্টার সবচেয়ে পরিচিত ফল জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- আগস্ট ১৯৪১আটলান্টিক সনদ
- ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ইয়াল্টা: জাতিসংঘ ও ভেটোর সিদ্ধান্ত
- এপ্রিল-জুন ১৯৪৫সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন
- ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
- আগস্ট ১৯৪১: আটলান্টিক সনদে নতুন বিশ্বব্যবস্থার ভাবনা।
- ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫: ইয়াল্টায় জাতিসংঘ সম্মেলন ও ভেটো পদ্ধতির সিদ্ধান্ত।
- এপ্রিল থেকে জুন ১৯৪৫: সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে সনদ স্বাক্ষর।
- ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা।
ক. বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়: যুদ্ধের কারণ খোঁজা ইয়াল্টার বিষয় ছিল না; যুদ্ধ তখনো চলছিল, আলোচনা হয়েছিল যুদ্ধোত্তর ব্যবস্থা নিয়ে।
খ. জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা: জিব্রাল্টার প্রণালী ইয়াল্টার আলোচ্য বিষয় ছিল না; মূল বিষয় ছিল জার্মানি, পোল্যান্ড, জাপান ও জাতিসংঘ।
ঘ. যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান: জার্মানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় আলোচনায় এলেও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল না।
ইয়াল্টা মানে তিন নেতা, জাতিসংঘ আর ভেটো।
ক্রিমিয়ার ইয়াল্টায় তিন নেতা, জাতিসংঘের ভিত পাতা।