সুন্দরবনে বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় –
সঠিক উত্তর
ঙকোনোটিই নয়
প্রশ্নটি ৩৬তম বিসিএস (২০১৬) পরীক্ষার, তখনকার তথ্য অনুযায়ী। তখন সঠিক উত্তর ছিল: পাগ-মার্ক। এখন অবস্থা বদলেছে — এখনকার সঠিক উত্তর: ক্যামেরা ট্র্যাপ পদ্ধতি (২০১৫ থেকে)।
ব্যাখ্যা
সুন্দরবনে বাঘ গণনায় ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত পদ্ধতি পাগমার্ক। পাগমার্ক মানে বাঘের পায়ের ছাপ।
কাদা বা বালুতে বাঘের পায়ের ছাপের আকার, গঠন আর আঙুলের বিন্যাস প্রতিটি বাঘে কিছুটা আলাদা। গবেষকেরা ছাপের মাপ নিয়ে, প্লাস্টার দিয়ে ছাঁচ তুলে বা ছবি তুলে আলাদা বাঘ শনাক্ত করে মোট সংখ্যা অনুমান করতেন। দুই হাজার চার সালের বাঘশুমারি এই পদ্ধতিতে হয়েছিল।
সুন্দরবনের কাদামাটিতে পায়ের ছাপ স্পষ্ট পড়ে, তাই পদ্ধতিটি জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু জোয়ারে ছাপ মুছে যায়, আর একই বাঘের ছাপ দুবার গোনার ঝুঁকি থাকে। তাই দুই হাজার পনেরো সালের জরিপে ক্যামেরা ট্র্যাপ ব্যবহার শুরু হয়, যেখানে প্রতিটি বাঘ গায়ের ডোরা দেখে চেনা যায়।
ফুটমার্ক শব্দটি পাগমার্কের মতো শোনালেও প্রাণী গণনার কোনো স্বীকৃত পরিভাষা নয়। শেষ বিকল্পটি সম্ভবত কোয়াড্র্যাট পদ্ধতি বোঝায়, যা দিয়ে সাধারণত উদ্ভিদ বা ছোট এলাকার জীব গণনা করা হয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| পদ্ধতি | কী দিয়ে গণনা | ব্যবহার |
|---|---|---|
| পাগমার্ক | পায়ের ছাপ | সুন্দরবনে বাঘ, ২০০৪ |
| কোয়াড্র্যাট | নির্দিষ্ট বর্গক্ষেত্রে নমুনা | উদ্ভিদ, ছোট জীব |
| জিআইএস | মানচিত্র ও তথ্য বিশ্লেষণ | আবাস মানচিত্রায়ণ |
| ক্যামেরা ট্র্যাপ | গায়ের ডোরা | বাঘ, ২০১৫ থেকে |
- পাগমার্ক = বাঘের পায়ের ছাপ।
- প্রতিটি বাঘের ছাপের আকার ও গঠন আলাদা: ছাপ মেপে বাঘ চেনা যায়।
- সুন্দরবনের কাদায় ছাপ স্পষ্ট, তাই ঐতিহ্যগত পদ্ধতি; ২০০৪ শুমারি এভাবে।
- পরে ২০১৫ থেকে ক্যামেরা ট্র্যাপ, ডোরা দেখে বাঘ চেনা।
খ. ফুটমার্ক: ফুটমার্ক প্রাণী গণনার স্বীকৃত পরিভাষা নয়; পাগমার্কের অনুকরণে বানানো বিকল্প।
গ. GIS: জিআইএস মানচিত্র ও তথ্য বিশ্লেষণের প্রযুক্তি, সরাসরি বাঘ গোনার পদ্ধতি নয়।
ঘ. কোয়ার্ডবেট: বিকল্পটি সম্ভবত কোয়াড্র্যাট বোঝায়; এ পদ্ধতি উদ্ভিদ বা ছোট এলাকার জীব নমুনায়নে ব্যবহৃত হয়।
পাগমার্ক = পায়ের ছাপে বাঘ গোনা; ক্যামেরা ট্র্যাপ = ডোরায় বাঘ চেনা।
কাদায় পা, তাতেই বাঘের হিসাব।