কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য?
সঠিক উত্তর
গবীরাঙ্গনা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি মধুসূদনের পত্রকাব্য চেনার। বীরাঙ্গনা কাব্য ১৮৬২ সালে প্রকাশিত, বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। এতে পুরাণের এগারোজন নারী তাঁদের স্বামী বা প্রিয়জনকে চিঠি লিখছেন, প্রতিটি সর্গ একটি চিঠি।
মধুসূদন এই ধারণা নিয়েছিলেন রোমান কবি ওভিদের হিরোইডিস থেকে। এখানে শকুন্তলা, দ্রৌপদী, কৈকেয়ীর মতো নারীরা নিজের কণ্ঠে অভিযোগ, প্রেম আর অভিমান জানান।
মধুসূদনের অন্য কাব্য: ব্রজাঙ্গনা, রাধার বিরহ নিয়ে লেখা গীতিকাব্য; মেঘনাদবধ কাব্য, অমিত্রাক্ষর ছন্দের মহাকাব্য; আর চতুর্দশপদী কবিতাবলী, বাংলা সনেটের বই।
ফাঁদ ব্রজাঙ্গনা, কারণ বীরাঙ্গনার সঙ্গে নামের মিল আছে। আর বিলাতের পত্র নামে পত্র শব্দ থাকলেও এটি মধুসূদনের পত্রকাব্য নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| মধুসূদনের কাব্য | ধরন |
|---|---|
| বীরাঙ্গনা | পত্রকাব্য |
| ব্রজাঙ্গনা | গীতিকাব্য, রাধাবিরহ |
| মেঘনাদবধ কাব্য | মহাকাব্য |
| চতুর্দশপদী কবিতাবলী | সনেট |
- প্রশ্ন চেয়েছে পত্রকাব্য, মানে চিঠির আকারে লেখা কাব্য।
- বীরাঙ্গনা, ১৮৬২: পুরাণের এগারো নারীর চিঠি।
- ব্রজাঙ্গনা নামে মিল থাকলেও রাধাবিরহের গীতিকাব্য।
ক. ব্রজাঙ্গনা: ব্রজাঙ্গনা মধুসূদনের গীতিকাব্য, রাধাবিরহ নিয়ে; পত্রকাব্য নয়।
খ. বিলাতের পত্র: বিলাতের পত্র মধুসূদনের পত্রকাব্য নয়; পত্র শব্দ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে।
ঘ. হিমালয়: হিমালয় নামে মধুসূদনের কোনো পত্রকাব্য নেই।
অঙ্গনা জোড়া: বীরাঙ্গনা চিঠি লেখে, ব্রজাঙ্গনা গান গায়।
বীর নারীরা কলম ধরল, চিঠিতে লিখল মনের কথা।