কবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল - -
সঠিক উত্তর
খতৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি কায়কোবাদের মহাকাব্য মহাশ্মশানের পটভূমি জানতে চেয়েছে। কাব্যটি রচিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ নিয়ে, যা হয়েছিল ১৭৬১ সালে মারাঠা শক্তি আর আহমদ শাহ আবদালীর মধ্যে।
যুদ্ধে বিপুল প্রাণহানি ঘটেছিল, যুদ্ধক্ষেত্র যেন বিশাল শ্মশান; এই ভাব থেকেই কাব্যের নাম মহাশ্মশান। কায়কোবাদকে বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে মহাকাব্য রচনার পথিকৃৎ ধরা হয়।
কায়কোবাদের প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরায়শী। তাঁর আরেকটি পরিচিত কাব্য অশ্রুমালা।
ফাঁদ হলো পলাশীর যুদ্ধ। বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে পরিচিত যুদ্ধ বলে অনেকে এটিই বেছে নেন, কিন্তু পলাশী নিয়ে বিখ্যাত কাব্য নবীনচন্দ্র সেনের পলাশির যুদ্ধ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৭৫৭পলাশীর যুদ্ধ: কাব্য নবীনচন্দ্রের পলাশির যুদ্ধ
- ১৭৬১পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ: কায়কোবাদের মহাশ্মশান
- ১৭৭০ছিয়াত্তরের মন্বন্তর, বাংলা ১১৭৬ সাল
- ১৮৫৭সিপাহি বিদ্রোহ
- কাব্যের নাম মহাশ্মশান: ভয়াবহ প্রাণহানির যুদ্ধক্ষেত্র।
- সেই যুদ্ধ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ, ১৭৬১ সাল।
- পলাশী নিয়ে কাব্য নবীনচন্দ্রের, মহাশ্মশান নয়।
ক. পলাশীর যুদ্ধ: পলাশীর যুদ্ধ নিয়ে লেখা কাব্য নবীনচন্দ্র সেনের পলাশির যুদ্ধ; মহাশ্মশানের পটভূমি পানিপথ।
গ. ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ: সিপাহি বিদ্রোহ ঘটেছিল ১৮৫৭ সালে; মহাশ্মশানের কাহিনি এর প্রায় একশো বছর আগের পানিপথের যুদ্ধ।
ঘ. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর: ছিয়াত্তরের মন্বন্তর একটি দুর্ভিক্ষ, যুদ্ধ নয়; মহাশ্মশান একটি যুদ্ধকাব্য।
যুদ্ধ নিয়ে কাব্য মেলান: পলাশী মানে নবীনচন্দ্র সেন, পানিপথ মানে কায়কোবাদ।
পানিপথের শ্মশানে কায়কোবাদের কাব্য।