আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
সাধারণ বিজ্ঞান৩৭তম বিসিএস (২০১৬)

আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ –

সঠিক উত্তর

গবৃষ্টির কণা

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা রংধনু তৈরির কারণ জানতে চেয়েছে। উত্তর বৃষ্টির কণা: বাতাসে ভাসমান অসংখ্য ক্ষুদ্র পানির ফোঁটা প্রিজমের মতো কাজ করে।

সূর্যের সাদা আলো ফোঁটায় ঢোকার সময় প্রতিসৃত হয়, ভেতরে প্রতিফলিত হয় এবং বের হওয়ার সময় আবার প্রতিসৃত হয়। প্রতিটি রঙের বাঁকার পরিমাণ আলাদা বলে আলো সাত রঙে ভাগ হয়ে যায়; একে বিচ্ছুরণ বলে।

তাই রংধনু দেখতে সূর্যকে পেছনে রেখে বৃষ্টির দিকে তাকাতে হয়, আর সাধারণত সকালে বা বিকেলে সূর্য নিচে থাকলে দেখা যায়। প্রধান রংধনুর বাইরের দিকে লাল ও ভেতরের দিকে বেগুনি থাকে।

ধূলিকণা আলো ছড়িয়ে দেয় কিন্তু রং আলাদা করে ধনুক বানায় না; ভিন্ন ঘনত্বের বায়ুস্তরে হয় মরীচিকা। আর অতিবেগুনি রশ্মি চোখে দেখাই যায় না।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
সাদা আলো → পানির ফোঁটা: প্রতিসরণ
ফোঁটার ভেতরে প্রতিফলন → বের হতে আবার প্রতিসরণ
বিচ্ছুরণ: বেনীআসহকলা, সাত রং
  1. সূর্যের সাদা আলো বৃষ্টির ফোঁটায় ঢুকে প্রতিসৃত হয়।
  2. ফোঁটার ভেতরে প্রতিফলিত হয়ে বের হওয়ার সময় আবার বাঁকে।
  3. রংভেদে বাঁকা আলাদা, তাই সাত রং আলাদা হয়: রংধনু।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. ধুলিকণা: ধুলিকণা বিকল্পটি ভুল; ধূলিকণা আলো ছড়িয়ে আকাশ ঝাপসা বা লালচে করতে পারে, কিন্তু রং আলাদা করে ধনুক তৈরি করে না।

খ. বায়ুস্তর: বায়ুস্তর বিকল্পটি ভুল; ভিন্ন ঘনত্বের বায়ুস্তরে আলোর প্রতিসরণে মরীচিকা হয়, রংধনু নয়।

ঘ. অতিবেগুনি রশ্মি: অতিবেগুনি রশ্মি বিকল্পটি ভুল; এটি অদৃশ্য রশ্মি, তাই রংধনুর দৃশ্যমান রং তৈরি করতে পারে না।

শর্টকাট

রংধনুর তিন কাজ: প্রতিসরণ, প্রতিফলন, বিচ্ছুরণ; মাধ্যম বৃষ্টির ফোঁটা।

মনে রাখুন

সূর্য পেছনে, বৃষ্টি সামনে, রংধনু চোখে।