সরকারি চাকরিতে সততার মাপকাঠি কি?
সঠিক উত্তর
গনির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে সরকারি চাকরিতে সততার মাপকাঠি কী। উত্তর নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা।
সরকারি চাকরিতে সততা শুধু ঘুষ না খাওয়া নয়। নির্মোহ মানে ব্যক্তিগত লোভ বা আকর্ষণ ছাড়া, নিরপেক্ষ মানে কারও পক্ষ না নিয়ে, আর যথাবিধি মানে আইন ও নিয়ম মেনে। এই তিনটি মিলে দায়িত্ব পালন করলে তবেই একজন কর্মচারীকে পূর্ণ সৎ বলা যায়।
অবৈধ সুবিধা না নেওয়া সততার একটি অংশ, এটাই বড় ফাঁদ। কেউ ঘুষ না নিয়েও আত্মীয়কে সুবিধা দিতে পারেন বা কাজ ফেলে রাখতে পারেন; সেটাও অসততা। তৃতীয় বিকল্পটি এসব দিক ঢেকে দেয়, তাই এটি বেশি পূর্ণ।
সময়মতো অফিসে আসা নিয়মানুবর্তিতা, সততার পূর্ণ মাপকাঠি নয়। আর ঊর্ধ্বতনের যেকোনো নির্দেশ মানা সততা নয়, কারণ অবৈধ নির্দেশ মানাও অন্যায়। প্রশ্নে ছাপা ‘ঊর্ধবতন’ শব্দের শুদ্ধ রূপ ‘ঊর্ধ্বতন’।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিকল্প | মূল্যায়ন |
|---|---|
| সময়মতো অফিসে আসা-যাওয়া | নিয়মানুবর্তিতা মাত্র |
| ঊর্ধ্বতনের যেকোনো নির্দেশ মানা | অবৈধ নির্দেশ মানাও অন্যায় |
| অবৈধ সুবিধা না নেওয়া | সঠিক, তবে আংশিক |
| নির্মোহ, নিরপেক্ষ, যথাবিধি দায়িত্ব পালন | পূর্ণ মাপকাঠি |
- সময়মতো আসা-যাওয়া: নিয়মানুবর্তিতা, সততার একটি ছোট দিক।
- অবৈধ সুবিধা না নেওয়া: সততার অংশ, কিন্তু অসম্পূর্ণ।
- নির্মোহ, নিরপেক্ষ ও নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন: সততার পূর্ণ মাপকাঠি।
ক. যথা সময়ে অফিসে আগমন ও অফিস ত্যাগ করা: সময়মতো আসা-যাওয়া নিয়মানুবর্তিতা, সততার পূর্ণ মাপকাঠি নয়।
খ. দাপ্তরিক কাজে কোনো অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করা: অবৈধ সুবিধা না নেওয়া সততার অংশ, কিন্তু পক্ষপাত বা দায়িত্বে অবহেলা এতে ধরা পড়ে না।
ঘ. ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের যে কোনো নির্দেশ প্রতিপালন করা: ঊর্ধ্বতনের অবৈধ নির্দেশ মানা অসততা; অন্ধ আনুগত্য সততা নয়।
দুটি বিকল্পই ঠিক মনে হলে যেটি বেশি ব্যাপক ও অন্যটিকে ধারণ করে, সেটি বেছে নিন।
ঘুষ না খাওয়া সততার শুরু, নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালন তার পূর্ণতা।