আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি৩৮তম বিসিএস (২০১৭)

মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিকত্ব হারায় :

সঠিক উত্তর

ঘ১৯৮২ সনে

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব হারানোর সাল চায়। উত্তর ১৯৮২: সে বছরের নাগরিকত্ব আইনে রাষ্ট্রস্বীকৃত জাতিগোষ্ঠীর তালিকায় রোহিঙ্গাদের রাখা হয়নি, ফলে তারা কার্যত রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ে।

এই আইনে পূর্ণ নাগরিকত্ব পায় মূলত সেই জাতিগোষ্ঠীগুলো, যারা ১৮২৩ সালের আগে, অর্থাৎ প্রথম ইঙ্গ-বর্মি যুদ্ধের আগে থেকে দেশে বসবাস করছে বলে রাষ্ট্র স্বীকার করে। সরকার রোহিঙ্গাদের এই তালিকার বাইরে রাখে।

আগের ধাপগুলোও জানা দরকার। ১৯৬২ সালে জেনারেল নে উইন সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতা নেন। ১৯৭৮ সালে ‘নাগামিন’ বা ড্রাগন কিং অভিযানের সময় প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

১৯৭৮ সালটি ফাঁদ: সেটি বড় শরণার্থী ঢলের বছর, কিন্তু আইন করে নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয় চার বছর পরে।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
  1. ১৯৬২নে উইনের সামরিক অভ্যুত্থান
  2. ১৯৭৮নাগামিন অভিযান, শরণার্থী ঢল
  3. ১৯৮২নাগরিকত্ব আইন, রোহিঙ্গারা রাষ্ট্রহীন
  1. ১৯৬২: জেনারেল নে উইনের সামরিক অভ্যুত্থান।
  2. ১৯৭৮: নাগামিন অভিযান, প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে।
  3. ১৯৮২: নাগরিকত্ব আইনে রোহিঙ্গারা স্বীকৃত জাতিগোষ্ঠীর তালিকার বাইরে।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. ১৯৬২ সনে: বিকল্প ‘১৯৬২ সনে’ জেনারেল নে উইনের সামরিক অভ্যুত্থানের সাল; তখন নাগরিকত্ব আইন বদলায়নি।

খ. ১৯৮৬ সনে: বিকল্প ‘১৯৮৬ সনে’ নাগরিকত্ব নিয়ে কোনো আইন হয়নি; মূল আইনটি এর চার বছর আগের।

গ. ১৯৭৮ সনে: বিকল্প ‘১৯৭৮ সনে’ নাগামিন অভিযানে প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে; নাগরিকত্ব আইন তার পরে।

শর্টকাট

বাষট্টিতে সামরিক শাসন, আটাত্তরে উচ্ছেদ, বিরাশিতে নাগরিকত্ব হরণ।

মনে রাখুন

বিরাশির আইনে রোহিঙ্গা রাষ্ট্রহীন।