দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বলা হয় :
সঠিক উত্তর
গবাফার রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা একটি সংজ্ঞা চায়। দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বড় শক্তির মাঝখানে থাকা দেশকে বাফার রাষ্ট্র বা মধ্যবর্তী রাষ্ট্র বলে।
বাফার মানে ধাক্কা সামলানোর গদি। এমন দেশ মাঝখানে থাকায় বড় শক্তিগুলোর সীমান্ত সরাসরি মেলে না, ফলে সংঘাতের ঝুঁকি কমে। ঐতিহাসিক উদাহরণ উনিশ শতকের আফগানিস্তান, যা ব্রিটিশ ভারত ও রুশ সাম্রাজ্যের মাঝে ছিল; আজ প্রায়ই নেপালকে ভারত ও চীনের মাঝের বাফার বলা হয়।
অন্য পরিভাষাগুলো আলাদা জিনিস বোঝায়। স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র মানে সমুদ্রতট নেই এমন দেশ। নিরপেক্ষ রাষ্ট্র মানে যে দেশ যুদ্ধে কোনো পক্ষ নেয় না, যেমন সুইজারল্যান্ড। আর জিরো সাম হলো খেলা-তত্ত্বের ধারণা, যেখানে এক পক্ষের লাভ মানেই অন্য পক্ষের সমান ক্ষতি।
স্থলবেষ্টিত বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ নেপাল বা আফগানিস্তানের মতো অনেক বাফার রাষ্ট্র স্থলবেষ্টিতও। কিন্তু সংজ্ঞাটি প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মাঝে অবস্থান বোঝায়, সমুদ্র না থাকা নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| পরিভাষা | মানে |
|---|---|
| স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র | সমুদ্রতটহীন দেশ |
| নিরপেক্ষ রাষ্ট্র | যুদ্ধে পক্ষ নেয় না |
| জিরো সাম | এক পক্ষের লাভ মানে অন্যের সমান ক্ষতি |
| বাফার রাষ্ট্র | প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মাঝের গদি |
- স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র: সমুদ্রতট নেই।
- নিরপেক্ষ রাষ্ট্র: যুদ্ধে পক্ষ নেয় না, যেমন সুইজারল্যান্ড।
- জিরো সাম: খেলা-তত্ত্বের ধারণা, রাষ্ট্রের ধরন নয়।
- বাফার রাষ্ট্র: প্রতিদ্বন্দ্বী বড় শক্তির মাঝখানের দেশ।
ক. স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র: বিকল্প ‘স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র’ মানে সমুদ্রতটহীন দেশ; এই সংজ্ঞায় প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির কথা নেই।
খ. নিরপেক্ষ রাষ্ট্র: বিকল্প ‘নিরপেক্ষ রাষ্ট্র’ যুদ্ধে পক্ষ না নেওয়ার নীতি বোঝায়, যেমন সুইজারল্যান্ড; অবস্থান নয়।
ঘ. জিরো সাম রাষ্ট্র: বিকল্প ‘জিরো সাম রাষ্ট্র’ বলে কোনো পরিভাষা নেই; জিরো সাম হলো খেলা-তত্ত্বের লাভ-ক্ষতির ধারণা।
মাঝখানের গদি মানে বাফার।
দুই হাতির মাঝে ছোট গদি, নাম তার বাফার।