নিম্নের কোন কার্যক্রমের সাথে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যুক্ত?
সঠিক উত্তর
গমানবাধিকার সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কাজের ক্ষেত্র চায়। উত্তর মানবাধিকার সংরক্ষণ; সংগঠনটি ১৯৬১ সালে লন্ডনে ব্রিটিশ আইনজীবী পিটার বেনেনসনের উদ্যোগে যাত্রা শুরু করে।
শুরুতে লক্ষ্য ছিল ‘বিবেকের বন্দি’, অর্থাৎ শুধু মত প্রকাশের জন্য কারাবন্দি মানুষদের মুক্তির দাবি। পরে কাজ বাড়ে নির্যাতন, মৃত্যুদণ্ড ও গুমের বিরুদ্ধে প্রচারণায়। এই কাজের স্বীকৃতিতে সংগঠনটি ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পায়।
‘অ্যামনেস্টি’ শব্দের মানে সাধারণ ক্ষমা, যা নামেই বন্দিমুক্তির ইঙ্গিত দেয়।
অন্য কাজগুলোর জন্য আলাদা সংগঠন আছে: পরিবেশ রক্ষায় গ্রিনপিস, ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কর্মসূচি, আর প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধে যুক্তরাজ্যের আরএসপিসিএর মতো প্রাণীকল্যাণ সংগঠন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| সংগঠন | কাজ |
|---|---|
| অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল | মানবাধিকার |
| গ্রিনপিস | পরিবেশ |
| ইউনেস্কো | বিশ্ব ঐতিহ্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা |
| আরএসপিসিএ | প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ |
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল: মানবাধিকার, ১৯৬১, লন্ডন।
- গ্রিনপিস: পরিবেশ সংরক্ষণ।
- ইউনেস্কো: বিশ্ব ঐতিহ্য; আরএসপিসিএ: প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ।
ক. প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ: বিকল্প ‘প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুরতা রোধ’ আরএসপিসিএর মতো প্রাণীকল্যাণ সংগঠনের কাজ, অ্যামনেস্টির নয়।
খ. পরিবেশ সংরক্ষণ: বিকল্প ‘পরিবেশ সংরক্ষণ’ গ্রিনপিসের মতো পরিবেশবাদী সংগঠনের কাজ।
ঘ. ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ: বিকল্প ‘ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ’ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কর্মসূচির ক্ষেত্র।
অ্যামনেস্টি মানে সাধারণ ক্ষমা, তাই বন্দি ও মানবাধিকার।
অ্যামনেস্টির মোমবাতি জ্বলে বন্দির জন্য।