কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস?
সঠিক উত্তর
খসমুদ্রের ঢেউ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি নবায়নযোগ্য আর অনবায়নযোগ্য শক্তির পার্থক্য নিয়ে। উত্তর সমুদ্রের ঢেউ।
নবায়নযোগ্য শক্তি হলো যার উৎস প্রকৃতিতে নিজে নিজেই বারবার ফিরে আসে এবং ব্যবহার করলেও ফুরিয়ে যায় না, যেমন সূর্যের আলো, বায়ু, পানির স্রোত ও ঢেউ। সমুদ্রের ঢেউ তৈরি হয় বাতাসের ধাক্কায়, আর বাতাস চলে সূর্যের তাপে; তাই যতদিন সূর্য আছে, ঢেউও থাকবে।
অন্যদিকে তেল, গ্যাস ও কয়লা জীবাশ্ম জ্বালানি। লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়া উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে এরা তৈরি। একবার পুড়িয়ে ফেললে মানুষের জীবদ্দশায় আর ফিরে আসে না, তাই এগুলো অনবায়নযোগ্য।
চারটির মধ্যে তিনটিই জীবাশ্ম জ্বালানি, তাই জীবাশ্ম জ্বালানি চিনতে পারলেই উত্তর বের হয়ে আসে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| উৎস | ধরন |
|---|---|
| তেল | জীবাশ্ম জ্বালানি, অনবায়নযোগ্য |
| গ্যাস | জীবাশ্ম জ্বালানি, অনবায়নযোগ্য |
| কয়লা | জীবাশ্ম জ্বালানি, অনবায়নযোগ্য |
| সমুদ্রের ঢেউ | নবায়নযোগ্য |
- নবায়নযোগ্য মানে প্রকৃতি নিজেই বারবার পূরণ করে।
- তেল, গ্যাস, কয়লা জীবাশ্ম জ্বালানি, একবার পুড়লে শেষ।
- ঢেউ আসে বাতাস থেকে, বাতাস সূর্য থেকে: কখনো ফুরায় না।
ক. তেল: তেল জীবাশ্ম জ্বালানি; তৈরি হতে লক্ষ লক্ষ বছর লাগে, তাই অনবায়নযোগ্য।
গ. গ্যাস: প্রাকৃতিক গ্যাসও জীবাশ্ম জ্বালানি, মজুত ফুরিয়ে যায়।
ঘ. কয়লা: কয়লা প্রাচীন উদ্ভিদের দেহাবশেষ থেকে তৈরি জীবাশ্ম জ্বালানি, অনবায়নযোগ্য।
অপশনে জীবাশ্ম জ্বালানি বাদ দিন; যেটা বাকি থাকে, সেটাই নবায়নযোগ্য।
মাটির নিচের জ্বালানি ফুরায়, আকাশ আর সাগরের শক্তি ফুরায় না।