কোনটি জসীমউদ্দীনের রচনা?
সঠিক উত্তর
ঘঠাকুরবাড়ির আঙিনা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জসীমউদ্দীনের রচনা চিনতে চেয়েছে। ঠাকুরবাড়ির আঙিনা জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা, যেখানে তিনি রবীন্দ্রনাথ ও ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে নিজের স্মৃতি লিখেছেন।
পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্য নকশী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট। গদ্যে তাঁর আরও স্মৃতিকথা আছে, যেমন জীবনকথা ও যাঁদের দেখেছি।
বাকি তিনটি অন্য লেখকের: গাজী মিয়াঁর বস্তানী মীর মশাররফ হোসেনের ব্যঙ্গাত্মক রচনা, হাঁসুলী বাঁকের উপকথা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস, আর ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান আবু জাফর শামসুদ্দীনের উপন্যাস।
ফাঁদ হলো গ্রামীণ নামের বইগুলো। জসীমউদ্দীন পল্লিকবি বলে গ্রামের উপকথা বা উপাখ্যান তাঁর মনে হতে পারে, কিন্তু সেগুলো অন্যদের লেখা।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| রচনা | লেখক |
|---|---|
| ঠাকুরবাড়ির আঙিনা | জসীমউদ্দীন |
| হাঁসুলী বাঁকের উপকথা | তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় |
| গাজী মিয়াঁর বস্তানী | মীর মশাররফ হোসেন |
| ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান | আবু জাফর শামসুদ্দীন |
- জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা: ঠাকুরবাড়ির আঙিনা।
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা তারাশঙ্করের, গাজী মিয়াঁর বস্তানী মীর মশাররফের।
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান আবু জাফর শামসুদ্দীনের; উত্তর ঠাকুরবাড়ির আঙিনা।
ক. গাজী মিয়াঁর বস্তানী: গাজী মিয়াঁর বস্তানী মীর মশাররফ হোসেনের ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
খ. হাঁসুলী বাঁকের উপকথা: হাঁসুলী বাঁকের উপকথা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস।
গ. ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান: ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান আবু জাফর শামসুদ্দীনের উপন্যাস।
জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথাগুলো মনে রাখুন: ঠাকুরবাড়ির আঙিনা, জীবনকথা, যাঁদের দেখেছি।
পল্লিকবি পা রাখেন ঠাকুরবাড়ির আঙিনায়।