ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস কি ?
সঠিক উত্তর
খআইসোটোপ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে ক্যান্সার চিকিৎসার গামা রশ্মি কোথা থেকে আসে। উত্তর তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ, বিশেষ করে কোবাল্ট-ষাট।
আইসোটোপ হলো একই মৌলের এমন পরমাণু, যাদের প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা আলাদা, ফলে ভরসংখ্যাও আলাদা। কোবাল্টের স্থিতিশীল রূপ কোবাল্ট-ঊনষাট; নিউক্লিয়াসে আরেকটি নিউট্রন বেশি থাকা কোবাল্ট-ষাট অস্থিতিশীল, ভেঙে যাওয়ার সময় শক্তিশালী গামা রশ্মি ছাড়ে।
এই গামা রশ্মি ক্যান্সার কোষের ডিএনএ ভেঙে দেয়, ফলে কোষ আর বিভাজিত হতে পারে না; একে বলে রেডিওথেরাপি। কোবাল্ট-ষাটের অর্ধায়ু প্রায় সোয়া পাঁচ বছর। একইভাবে থাইরয়েড রোগে আয়োডিন-একশো একত্রিশ আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
আইসোটোন, আইসোবার, আইসোমার নামগুলো শুনতে কাছাকাছি বলে গুলিয়ে যায়। মনে রাখুন: আইসোটোপে প্রোটন সমান, আইসোবারে ভরসংখ্যা সমান, আইসোটোনে নিউট্রন সমান।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| পরিভাষা | কী সমান থাকে |
|---|---|
| আইসোটোপ | প্রোটন সংখ্যা, যেমন কোবাল্ট-৫৯ ও কোবাল্ট-৬০ |
| আইসোবার | ভরসংখ্যা |
| আইসোটোন | নিউট্রন সংখ্যা |
| আইসোমার | আণবিক সংকেত, গঠন আলাদা |
| গামা রশ্মির উৎস | তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কোবাল্ট-৬০ |
- আইসোটোপ: প্রোটন সমান, নিউট্রন আলাদা।
- কোবাল্ট-৫৯ স্থিতিশীল, কোবাল্ট-৬০ তেজস্ক্রিয়।
- কোবাল্ট-৬০ ভেঙে গামা রশ্মি ছাড়ে, যা ক্যান্সার কোষ মারে।
ক. আইসোটোন: আইসোটোন হলো ভিন্ন মৌলের পরমাণু যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান; এটি চিকিৎসার কোনো উৎস নয়।
গ. আইসোবার: আইসোবার হলো ভিন্ন মৌলের পরমাণু যাদের ভরসংখ্যা সমান; গামা রশ্মির উৎস বোঝায় না।
ঘ. আইসোমার: আইসোমার রসায়নের পরিভাষা: একই আণবিক সংকেত, ভিন্ন গঠন।
চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয়তার প্রশ্ন এলে উত্তর প্রায় সবসময় আইসোটোপ: ক্যান্সারে কোবাল্ট-৬০, থাইরয়েডে আয়োডিন-১৩১।
আইসোটোপে প্রোটন, আইসোবারে ভর, আইসোটোনে নিউট্রন সমান।