আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য৪০তম বিসিএস (২০১৯)

দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?

সঠিক উত্তর

খমাইকেল মধুসূদন দত্ত

ব্যাখ্যা

দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটক ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়; এর বিষয় নীলকর সাহেবদের হাতে বাংলার চাষিদের ওপর অত্যাচার। নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ১৮৬১ সালে।

অনুবাদটি অনুবাদকের নাম ছাড়া, শুধু এক দেশীয় ব্যক্তির অনুবাদ বলে প্রকাশিত হয়েছিল; তবু অনুবাদক হিসেবে মধুসূদনের নামই প্রচলিত। প্রকাশের দায় নেন পাদ্রি জেমস লং, এবং এ জন্য মামলায় তিনি কারাদণ্ড ও জরিমানার শাস্তি পান।

নীলদর্পণ নীলবিদ্রোহের সময় জনমত গড়তে বড় ভূমিকা রাখে, তাই বাংলা নাটকের ইতিহাসে এটি বিশেষ জায়গা পেয়েছে।

ফাঁদ হলো প্যারীচাঁদ মিত্র, কারণ দীনবন্ধু আর প্যারীচাঁদ দুজনেরই পদবি মিত্র। প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতির সবুজপত্রের সম্পাদক, আর দ্বিজেন্দ্রলাল রায় নিজেই নাট্যকার ও গীতিকার; নীলদর্পণের অনুবাদের সঙ্গে তাঁদের যোগ নেই।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
বিষয়তথ্য
নাটকনীলদর্পণ (১৮৬০), দীনবন্ধু মিত্র
ইংরেজি অনুবাদ১৮৬১, মাইকেল মধুসূদন দত্ত
প্রকাশকপাদ্রি জেমস লং, মামলায় দণ্ডিত
  1. ১৮৬০: দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ, নীলকরদের অত্যাচারের নাটক।
  2. ১৮৬১: ইংরেজি অনুবাদ, অনুবাদক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
  3. প্রকাশক পাদ্রি জেমস লং, এ জন্য দণ্ডিত হন।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. প্যারীচাঁদ মিত্র: প্যারীচাঁদ মিত্র আলালের ঘরের দুলালের লেখক; দীনবন্ধুর সঙ্গে মিত্র পদবির মিল থেকেই এই বিভ্রান্তি।

গ. প্রমথ চৌধুরী: প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্রের সম্পাদক, চলিত রীতির প্রবর্তক; নীলদর্পণ অনুবাদ করেননি।

ঘ. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: দ্বিজেন্দ্রলাল রায় নিজেই নাট্যকার ও গীতিকার; নীলদর্পণের অনুবাদের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত নয়।

শর্টকাট

নীলদর্পণ: দীনবন্ধু মিত্র ১৮৬০, ইংরেজি অনুবাদ মধুসূদন, প্রকাশক জেমস লং।

মনে রাখুন

দীনবন্ধু লিখলেন, মধুসূদন ইংরেজি করলেন, লং সাজা পেলেন।