চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে?
সঠিক উত্তর
ঘবৌদ্ধধর্ম
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের লেখা সাধনসংগীত, তাই এতে বৌদ্ধধর্মের তত্ত্বই আছে। চর্যা মানে আচরণ; কোন আচরণে সাধনায় সিদ্ধি আসে, পদগুলো সেই কথা বলে।
সাধকেরা গোপন সাধনতত্ত্ব সরাসরি না বলে নৌকা, নদী, হরিণ, তাঁত বোনার মতো দৈনন্দিন ছবির রূপকে লিখেছেন। এ কারণেই এর ভাষাকে সন্ধ্যাভাষা বলা হয়।
১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন, আর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে তা প্রকাশিত হয়।
জৈনধর্মের সঙ্গে চর্যাপদের যোগ নেই, যদিও প্রাচীন ভারতে দুটোই বৈদিক ধারার বাইরের ধর্ম বলে গুলিয়ে যায়। খ্রিস্টধর্ম বা প্যাগনিজমের সঙ্গে তো কোনো সম্পর্কই নেই।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| রচয়িতা | বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্য |
| বিষয় | বৌদ্ধ সাধনতত্ত্ব |
| আবিষ্কার | ১৯০৭, নেপাল রাজদরবার গ্রন্থাগার, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী |
| প্রকাশ | ১৯১৬, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ |
- রচয়িতা বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যরা।
- বিষয় বৌদ্ধ সাধনতত্ত্ব, রূপকের আড়ালে বলা।
- ১৯০৭ সালে নেপালে আবিষ্কার, ১৯১৬ সালে প্রকাশ।
ক. খ্রিস্টধর্ম: খ্রিস্টধর্ম বাংলায় আসে অনেক পরে; প্রাচীন যুগের চর্যাপদে এর কোনো চিহ্ন নেই।
খ. প্যাগনিজম: প্যাগনিজম মানে পৌত্তলিক বা প্রকৃতিপূজার ধর্মবোধ; চর্যাপদ নির্দিষ্ট বৌদ্ধ সাধনার গান।
গ. জৈনধর্ম: জৈনধর্মও বৈদিক ধারার বাইরের প্রাচীন ধর্ম বলে গুলিয়ে যায়, কিন্তু চর্যার সাধকেরা বৌদ্ধ সহজিয়া।
চর্যাপদ: বৌদ্ধ সহজিয়া, সন্ধ্যাভাষা, ১৯০৭ আবিষ্কার, ১৯১৬ প্রকাশ, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
চর্যার গান, বৌদ্ধের ধ্যান।