Sunshine Policy- এর সাথে কোন দুটি দেশ জড়িত ?
সঠিক উত্তর
খউত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা ‘সানশাইন পলিসি’ কোন দুই দেশের সঙ্গে জড়িত, তা চায়। উত্তর উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া। এটি ছিল উত্তর কোরিয়ার প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার সমঝোতা ও সহযোগিতার নীতি, যা প্রেসিডেন্ট কিম দে জুং ১৯৯৮ সালে চালু করেন।
নামটি এসেছে ঈশপের গল্প থেকে: বাতাস আর সূর্যের প্রতিযোগিতায় জোর খাটিয়ে নয়, উষ্ণতা দিয়েই সূর্য পথিকের কোট খোলাতে পারে। তেমনি চাপ নয়, সহায়তা ও যোগাযোগের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়াকে কাছে টানাই ছিল লক্ষ্য।
এই নীতির ধারাবাহিকতায় ২০০০ সালের জুনে পিয়ংইয়ংয়ে দুই কোরিয়ার প্রথম শীর্ষ বৈঠক হয়, আর কিম দে জুং সে বছর শান্তিতে নোবেল পান। ২০০৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন সরকার আসার পর নীতিটি কার্যত শেষ হয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৯৯৮সানশাইন পলিসি চালু
- জুন ২০০০প্রথম আন্তঃকোরীয় শীর্ষ বৈঠক
- ২০০০কিম দে জুংয়ের শান্তিতে নোবেল
- ২০০৮নীতির কার্যত সমাপ্তি
- ১৯৯৮: কিম দে জুং সানশাইন পলিসি চালু করেন।
- ২০০০: পিয়ংইয়ংয়ে প্রথম আন্তঃকোরীয় শীর্ষ বৈঠক, কিমের নোবেল।
- ২০০৮: নতুন সরকারের আমলে নীতির কার্যত সমাপ্তি।
ক. চীন, রাশিয়া: বিকল্প ‘চীন, রাশিয়া’ ভুল; এই দুই দেশের সম্পর্কের কোনো নীতির নাম সানশাইন পলিসি নয়।
গ. জাপান, থাইল্যান্ড: বিকল্প ‘জাপান, থাইল্যান্ড’ ভুল; নীতিটি কোরীয় উপদ্বীপের বিভক্ত দুই রাষ্ট্রের জন্য।
ঘ. তাইওয়ান, হংকং: বিকল্প ‘তাইওয়ান, হংকং’ ভুল; নীতিটি দক্ষিণ কোরিয়ার উত্তর কোরিয়া-নীতি, চীন-সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নয়।
সানশাইন মানে উষ্ণতা দিয়ে কাছে টানা: দক্ষিণ কোরিয়া থেকে উত্তর কোরিয়ার দিকে।
সূর্যের উষ্ণতায় দুই কোরিয়া।