চীন নিচের কোন আফ্রিকান দেশটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করেছে?
সঠিক উত্তর
ঘজিবুতি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা আফ্রিকায় চীনের সামরিক ঘাঁটির দেশ চায়। উত্তর জিবুতি; ২০১৭ সালের আগস্টে সেখানে চীনের প্রথম বিদেশি সামরিক ঘাঁটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।
জিবুতি আফ্রিকার শৃঙ্গ অঞ্চলে, বাব-এল-মান্দেব প্রণালির মুখে, যেখান দিয়ে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের জাহাজপথ এডেন উপসাগর হয়ে ভারত মহাসাগরে যায়। চীন একে সহায়তা ঘাঁটি বলে, যা জলদস্যুবিরোধী টহল ও শান্তিরক্ষা মিশনে রসদ জোগায়।
এই অবস্থানের গুরুত্বের কারণেই জিবুতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্প লেমোনিয়ের, ফ্রান্স ও জাপানের ঘাঁটিও আছে।
ইথিওপিয়া বিকল্পটি ফাঁদ, কারণ সেটি জিবুতির প্রতিবেশী এবং চীনা অর্থায়নে আদ্দিস আবাবা থেকে জিবুতি পর্যন্ত রেলপথও হয়েছে। কিন্তু ১৯৯৩ সালে ইরিত্রিয়ার স্বাধীনতার পর থেকে ইথিওপিয়া স্থলবেষ্টিত, নৌঘাঁটির সুযোগ নেই।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| দেশ | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| ইথিওপিয়া | স্থলবেষ্টিত, ১৯৯৩ থেকে |
| জাম্বিয়া | স্থলবেষ্টিত, দক্ষিণ-মধ্য আফ্রিকা |
| লাইবেরিয়া | পশ্চিম আফ্রিকা, আটলান্টিক উপকূল |
| জিবুতি | বাব-এল-মান্দেবের মুখে; চীনের ঘাঁটি, ২০১৭ |
- ইথিওপিয়া ও জাম্বিয়া স্থলবেষ্টিত; নৌঘাঁটির সুযোগ নেই।
- লাইবেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলে, গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ থেকে দূরে।
- জিবুতি বাব-এল-মান্দেবের মুখে; ২০১৭ সালে এখানেই চীনের প্রথম বিদেশি ঘাঁটি।
ক. ইথিওপিয়া: বিকল্প ‘ইথিওপিয়া’ ১৯৯৩ সাল থেকে স্থলবেষ্টিত; চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও সেখানে চীনের সামরিক ঘাঁটি নেই।
খ. জাম্বিয়া: বিকল্প ‘জাম্বিয়া’ দক্ষিণ-মধ্য আফ্রিকার স্থলবেষ্টিত দেশ; তামার খনিতে চীনা বিনিয়োগ আছে, ঘাঁটি নেই।
গ. লাইবেরিয়া: বিকল্প ‘লাইবেরিয়া’ পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলে, লোহিত সাগরের নৌপথ থেকে দূরে; চীনের ঘাঁটি সেখানে নয়।
চীনের প্রথম বিদেশি সামরিক ঘাঁটি মানে জিবুতি, ২০১৭।
লোহিত সাগরের দরজায় চীনের পাহারা: জিবুতি।