ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে-
সঠিক উত্তর
ঘফলা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপের নাম জানতে চায়। নিয়মটা সহজ: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে কার, আর ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে ফলা।
কোনো ব্যঞ্জনবর্ণ অন্য ব্যঞ্জনের পরে যুক্ত হলে সে পুরো আকারে না বসে ছোট একটি চিহ্ন হয়ে যায়। যেমন য-ফলা বাক্য শব্দে, র-ফলা প্রাণ শব্দে, ব-ফলা স্বাধীন শব্দে, ম-ফলা পদ্ম শব্দে। বাংলায় এমন ফলা ছয়টি: য, র, ল, ব, ম, ন।
রেফও র-এর একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যখন র অন্য ব্যঞ্জনের আগে বসে মাথায় ওঠে, যেমন কর্ম। কিন্তু এটি কেবল একটি বর্ণের একটি বিশেষ অবস্থান, সব ব্যঞ্জনের সংক্ষিপ্ত রূপের সাধারণ নাম নয়।
ফাঁদ হলো কার বিকল্পটি, কারণ কার আর ফলা দুটোই সংক্ষিপ্ত রূপ। পার্থক্য মনে রাখুন: কার আসে স্বর থেকে, ফলা আসে ব্যঞ্জন থেকে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| নাম | কিসের রূপ | উদাহরণ |
|---|---|---|
| কার | স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ | কা, কি, কু |
| রেফ | কেবল র, ব্যঞ্জনের আগে বসলে | কর্ম, ধর্ম |
| হসন্ত | স্বরহীনতার চিহ্ন, রূপ নয় | বাক্ |
| ফলা | ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ | বাক্য, প্রাণ, স্বাধীন, পদ্ম |
- কার: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ, যেমন কা, কি, কু।
- রেফ: শুধু র-এর রূপ, যখন র অন্য ব্যঞ্জনের আগে বসে।
- হসন্ত: স্বরহীন ব্যঞ্জন বোঝানোর চিহ্ন, কোনো বর্ণের রূপ নয়।
- ফলা: ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ, যেমন য-ফলা, র-ফলা, ব-ফলা।
ক. রেফ: রেফ কেবল র-এর একটি রূপ, যখন র পরের ব্যঞ্জনের মাথায় বসে; সব ব্যঞ্জনের সংক্ষিপ্ত রূপের সাধারণ নাম নয়।
খ. হসন্ত: হসন্ত কোনো বর্ণের রূপ নয়, ব্যঞ্জনটি স্বরহীন তা বোঝানোর চিহ্ন।
গ. কার: কার হলো স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ; প্রশ্ন চেয়েছে ব্যঞ্জনের রূপ।
স্বর থেকে কার, ব্যঞ্জন থেকে ফলা। ফলা ছয়টি: য, র, ল, ব, ম, ন।
স্বরের ছোট রূপ কার, ব্যঞ্জনের ছোট রূপ ফলা।