আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রোহিঙ্গা গণহত্যা বিষয়ক অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে মিয়ানমারকে কয়টি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে?
সঠিক উত্তর
ঘ৪টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা গাম্বিয়ার করা রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশ নিয়ে। ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি আদালত সর্বসম্মতভাবে মিয়ানমারকে চারটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে বলে।
প্রথম, রাখাইনের রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সনদে বর্ণিত সব ধরনের কাজ ঠেকাতে সব ব্যবস্থা নেওয়া। দ্বিতীয়, সেনাবাহিনী ও তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অনিয়মিত বাহিনী যেন এমন কাজ না করে বা উসকানি না দেয়, তা নিশ্চিত করা।
তৃতীয়, গণহত্যার অভিযোগ সংক্রান্ত প্রমাণ ধ্বংস হওয়া ঠেকানো ও সংরক্ষণ করা। চতুর্থ, আদেশ কার্যকরের বিষয়ে চার মাসের মধ্যে এবং এরপর প্রতি ছয় মাস পরপর আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া।
অন্তর্বর্তী আদেশ মানে চূড়ান্ত রায়ের আগে সাময়িক সুরক্ষা ব্যবস্থা। প্রতিবেদনকে আলাদা ব্যবস্থা হিসেবে না গুনলে উত্তর তিন মনে হয়, এটাই ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| ক্রম | অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা |
|---|---|
| ১ | গণহত্যামূলক সব কাজ প্রতিরোধ |
| ২ | সেনা ও অনিয়মিত বাহিনীকে বিরত রাখা |
| ৩ | প্রমাণ ধ্বংস ঠেকানো ও সংরক্ষণ |
| ৪ | চার মাসে, পরে প্রতি ছয় মাসে প্রতিবেদন |
- প্রথম ব্যবস্থা: গণহত্যামূলক কাজ প্রতিরোধ।
- দ্বিতীয়: সেনা ও অনিয়মিত বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ।
- তৃতীয়: প্রমাণ সংরক্ষণ।
- চতুর্থ: নিয়মিত প্রতিবেদন; মোট ৪টি।
ক. ৩টি: ৩টি বিকল্পটি ভুল; প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশও একটি আলাদা ব্যবস্থা, সেটি বাদ দিয়ে গুনলেই তিন হয়।
খ. ২টি: ২টি বিকল্পটি ভুল; শুধু প্রতিরোধ ও বাহিনী নিয়ন্ত্রণ ধরলে দুই হয়, প্রমাণ সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন বাদ পড়ে।
গ. ৫টি: ৫টি বিকল্পটি ভুল; আদেশে পঞ্চম কোনো ব্যবস্থা ছিল না।
চার ব্যবস্থা মনে রাখুন চার শব্দে: প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ, প্রমাণ, প্রতিবেদন।
প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ, প্রমাণ, প্রতিবেদন: চার।