নিচের কোন দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির সুবিধা বিদ্যমান?
সঠিক উত্তর
খভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে বিকল্পের কোন দেশে রাশিয়া সামরিক সুবিধা পায়। প্রচলিত উত্তর ভিয়েতনাম, যেখানে কাম রানহ উপসাগরে রুশ বাহিনীর দীর্ঘ উপস্থিতি ছিল।
স্নায়ুযুদ্ধের সময় থেকে কাম রানহ ছিল সোভিয়েত ও পরে রুশ প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের বড় ঘাঁটি। ২০০২ সালের মে মাসে রাশিয়া ঘাঁটিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভিয়েতনামকে ফিরিয়ে দেয়। তবে পরেও রুশ সামরিক বিমান ও জাহাজ সেখানে জ্বালানি নেওয়ার সুবিধা পেয়েছে; ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়ে ভিয়েতনামের কাছে আপত্তি জানায়।
অন্য বিকল্পগুলো কেন বাদ: কিউবার লুর্দেসে রুশ গোয়েন্দা শোনার কেন্দ্র ছিল, ২০০১ সালে রাশিয়া তা বন্ধের ঘোষণা দেয়। সোমালিয়ার বারবেরায় সোভিয়েত ঘাঁটি ছিল, কিন্তু ১৯৭৭ সালে সোমালিয়া সোভিয়েতদের বের করে দেয়। উজবেকিস্তানে কোনো রুশ সামরিক ঘাঁটি নেই।
সাবধান থাকা দরকার: মধ্য এশিয়ায় রাশিয়ার ঘাঁটি আছে তাজিকিস্তান ও কিরগিজস্তানে, উজবেকিস্তানে নয়। মধ্য এশিয়া শুনেই উজবেকিস্তান বেছে নেওয়া এখানে ফাঁদ।
এটি পরীক্ষার সময়ের তথ্য — এখন বদলে থাকতে পারে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| দেশ | রুশ সামরিক উপস্থিতি |
|---|---|
| ভিয়েতনাম | কাম রানহ, ২০০২ সালে ফেরত, পরেও জ্বালানি নেওয়ার সুবিধা |
| কিউবা | লুর্দেস কেন্দ্র, ২০০১ সালে বন্ধের ঘোষণা |
| সোমালিয়া | বারবেরা, ১৯৭৭ সালে সোভিয়েতরা বিতাড়িত |
| উজবেকিস্তান | রুশ ঘাঁটি নেই |
- কাম রানহ, ভিয়েতনাম: রুশ নৌঘাঁটি, ২০০২ সালে ফেরত, পরে ব্যবহারের সুবিধা।
- লুর্দেস, কিউবা: ২০০১ সালে বন্ধের ঘোষণা।
- বারবেরা, সোমালিয়া: ১৯৭৭ সালে সোভিয়েতরা বিতাড়িত।
- উজবেকিস্তানে রুশ ঘাঁটি নেই; বাকি থাকে ভিয়েতনাম।
ক. কিউবা: কিউবা বিকল্পটি ভুল; লুর্দেসের রুশ শোনার কেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা আসে ২০০১ সালে, তাই পরীক্ষার সময় সেখানে রুশ ঘাঁটি ছিল না।
গ. উজবেকিস্তান: উজবেকিস্তান বিকল্পটি ভুল; মধ্য এশিয়ায় রুশ ঘাঁটি তাজিকিস্তান ও কিরগিজস্তানে, উজবেকিস্তানে নয়।
ঘ. সোমালিয়া: সোমালিয়া বিকল্পটি ভুল; বারবেরার সোভিয়েত ঘাঁটি ১৯৭৭ সালেই সোমালিয়া বন্ধ করে দেয়।
পুরোনো সোভিয়েত ঘাঁটির মধ্যে যেখানে পরে আবার রুশ ব্যবহারের সুবিধা ফিরেছে, সেটিই এখানে উত্তর: কাম রানহ।
কাম রানহ উপসাগরে রুশ নৌবহরের পুরোনো ঠিকানা।