বাংলা সাহিত্যে “কালকূট” নামে পরিচিত কোন লেখক?
সঠিক উত্তর
গসমরেশ বসু
ব্যাখ্যা
কালকূট সমরেশ বসুর ছদ্মনাম। এই নামে তিনি লেখেন অমৃত কুম্ভের সন্ধানে, কুম্ভমেলা ঘিরে ভ্রমণধর্মী রচনা। তাঁর আরেক ছদ্মনাম ভ্রমর।
কালকূট শব্দের অর্থ তীব্র বিষ; পুরাণে সমুদ্রমন্থনে উঠে আসা বিষ, যা শিব পান করেন। অমৃতের সন্ধানে লেখা বইয়ের লেখকের নাম কালকূট, এই বৈপরীত্যটা মনে রাখলে ভুল হবে না।
ফাঁদ হলো সমরেশ মজুমদার, কারণ দুজনের প্রথম নাম একই। সমরেশ মজুমদার উত্তরাধিকার, কালবেলা, কালপুরুষ উপন্যাসের লেখক; কালবেলা আর কালকূটের কাল শব্দও বিভ্রান্তি বাড়ায়।
শওকত ওসমান নিজেই একটি লেখক নাম, তাঁর আসল নাম শেখ আজিজুর রহমান। আলাউদ্দিন আল আজাদ তেইশ নম্বর তৈলচিত্রের লেখক; কালকূট নামের সঙ্গে তাঁর যোগ নেই।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| লেখক নাম | প্রকৃত লেখক |
|---|---|
| বীরবল | প্রমথ চৌধুরী |
| ভানুসিংহ ঠাকুর | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
| শওকত ওসমান | শেখ আজিজুর রহমান |
| কালকূট, ভ্রমর | সমরেশ বসু |
- বীরবল প্রমথ চৌধুরী, ভানুসিংহ রবীন্দ্রনাথ।
- শওকত ওসমানের আসল নাম শেখ আজিজুর রহমান।
- কালকূট আর ভ্রমর: সমরেশ বসু।
ক. সমরেশ মজুমদার: সমরেশ মজুমদার কালবেলা, কালপুরুষের লেখক; নামের মিল আর কাল শব্দের মিলই এখানে ফাঁদ।
খ. শওকত ওসমান: শওকত ওসমান নিজেই লেখক নাম, আসল নাম শেখ আজিজুর রহমান; কালকূট তাঁর ছদ্মনাম নয়।
ঘ. আলাউদ্দিন আল আজাদ: আলাউদ্দিন আল আজাদ তেইশ নম্বর তৈলচিত্রের লেখক; কালকূট নামে তিনি লেখেননি।
কালকূট ও ভ্রমর: সমরেশ বসু। বীরবল: প্রমথ চৌধুরী। ভানুসিংহ: রবীন্দ্রনাথ।
অমৃতের খোঁজে বিষের নাম: কালকূট।