ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই-
সঠিক উত্তর
গবাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য ভাগ চিনতে বলছে। ব্যাকরণের প্রধান চারটি ভাগ: ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব।
ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ ও সন্ধি আলোচিত হয়। শব্দতত্ত্বে শব্দ কীভাবে গড়ে ওঠে, যেমন প্রত্যয়, সমাস, বিভক্তি। আর এই ধ্বনি ও শব্দকে বাক্যে ঠিক ক্রমে, ঠিকভাবে বসানোর নিয়ম শেখায় বাক্যতত্ত্ব, যাকে বাক্যপ্রকরণও বলে।
প্রশ্নে ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বের নাম আগেই বলে দেওয়া আছে; এরপর যে ধাপ বাকি থাকে, অর্থাৎ বাক্যে প্রয়োগ, সেটিই বাক্যতত্ত্ব।
ফাঁদ হলো রূপতত্ত্ব বিকল্পটি। রূপতত্ত্ব আসলে শব্দতত্ত্বেরই আরেক নাম, যা প্রশ্নে উপাদান হিসেবে আছে, বাক্যে প্রয়োগের বিধান নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ধ্বনিতত্ত্ব: ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি।
- রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব: শব্দ গঠন, প্রত্যয়, সমাস।
- বাক্যতত্ত্ব: ধ্বনি ও শব্দকে বাক্যে ঠিকভাবে বসানোর নিয়ম।
- অর্থতত্ত্ব: শব্দ ও বাক্যের অর্থ। প্রশ্নের উত্তর বাক্যতত্ত্ব।
ক. রসতত্ত্ব: রসতত্ত্ব কাব্যতত্ত্ব বা অলংকারশাস্ত্রের বিষয়, কাব্যের রস নিয়ে আলোচনা; এটি ব্যাকরণের কোনো ভাগ নয়।
খ. রূপতত্ত্ব: রূপতত্ত্ব আর শব্দতত্ত্ব একই ভাগ; এতে শব্দের গঠন আলোচিত হয়, শব্দকে বাক্যে বসানোর নিয়ম নয়।
ঘ. ক্রিয়ার কাল: ক্রিয়ার কাল ক্রিয়াপদের একটি আলোচ্য বিষয় মাত্র, ব্যাকরণের কোনো প্রধান ভাগ নয়।
ক্রমটা মনে রাখুন: ধ্বনি থেকে শব্দ, শব্দ থেকে বাক্য, বাক্য থেকে অর্থ। প্রশ্নে যে ধাপ বাদ পড়েছে সেটিই উত্তর।
ধ্বনি গড়ে শব্দ, শব্দ গড়ে বাক্য: বাক্যে বসানোর নিয়ম বাক্যতত্ত্ব।