কোনটি নামধাতুর উদাহরণ?
সঠিক উত্তর
গবেতা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি নামধাতু চিনতে বলছে। বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের সঙ্গে আ প্রত্যয় যোগে যে ধাতু তৈরি হয়, তাকে নামধাতু বলে।
বেত একটি বিশেষ্য, অর্থাৎ বেতের লাঠি। এর সঙ্গে আ যোগ হয়ে হয়েছে বেতা ধাতু, যার থেকে ক্রিয়া বেতানো, মানে বেত দিয়ে মারা। শব্দ থেকে ধাতু হয়েছে বলেই এটি নামধাতু।
একই নিয়মে ঘুম থেকে ঘুমা, তাই ঘুমানো; হাত থেকে হাতা, তাই হাতানো; ধমক থেকে ধমকা, তাই ধমকানো।
অন্যদিকে চল্, কর্, পড়্ মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতু; এদের আর ভাঙা যায় না, কোনো শব্দ থেকেও আসেনি। চেনা ক্রিয়ার মূল বলে এগুলোকেই অনেকে বেছে নেন, কিন্তু নামধাতু হতে হলে আগে একটি নাম বা শব্দ থাকতে হবে। বিকল্পে ছাপা পড়ু আসলে পড়্ ধাতু; হসন্তের জায়গায় উ-কার ছাপা হয়েছে, প্রশ্নপত্রেই এমন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩নাম শব্দ + আ = নামধাতু: ঘুম → ঘুমা, হাত → হাতা, ধমক → ধমকা
- চল্, কর্, পড়্: মৌলিক ধাতু, ভাঙা যায় না।
- বেত একটি বিশেষ্য শব্দ, ধাতু নয়।
- বেত + আ = বেতা; শব্দ থেকে তৈরি ধাতু, তাই নামধাতু।
ক. চল্: চল্ মৌলিক ধাতু; কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণ থেকে আসেনি, ভাঙাও যায় না।
খ. কর্: কর্ মৌলিক ধাতু; এর পেছনে কোনো নাম শব্দ নেই।
ঘ. পড়ু: বিকল্পে ছাপা পড়ু আসলে পড়্, প্রশ্নপত্রের ছাপার ভুল। পড়্ মৌলিক ধাতু; চেনা ক্রিয়ার মূল হলেও এটি কোনো শব্দ থেকে তৈরি হয়নি।
ধাতুটির পেছনে কোনো চেনা বিশেষ্য বা বিশেষণ লুকিয়ে আছে কি না দেখুন; থাকলে নামধাতু, না থাকলে মৌলিক।
শব্দ থেকে জন্ম যে ধাতুর, সে নামধাতু: বেত থেকে বেতা।