আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী ছিল?
সঠিক উত্তর
ঘবেদ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম। উত্তর বেদ।
আর্যরা ভারতে আসে খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দে। তাদের ধর্মীয় স্তোত্র ও আচার নিয়ে রচিত হয় বেদ, যা চার ভাগে: ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ ও অথর্ববেদ। এর মধ্যে ঋগ্বেদ সবচেয়ে প্রাচীন।
বেদ শব্দের অর্থ জ্ঞান। প্রাচীন যুগের এই সময়কে বেদের নামেই বৈদিক যুগ বলা হয়।
মহাভারত ও রামায়ণ মহাকাব্য, রচিত হয় বৈদিক যুগের অনেক পরে। আর গীতা মহাভারতেরই একটি অংশ, ভীষ্মপর্বের অন্তর্ভুক্ত।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| গ্রন্থ | ধরন |
|---|---|
| রামায়ণ | মহাকাব্য, বাল্মীকি |
| মহাভারত | মহাকাব্য, বেদব্যাস |
| গীতা | মহাভারতের অংশ |
| বেদ | আর্যদের ধর্মগ্রন্থ, চারটি |
- রামায়ণ ও মহাভারত পরবর্তীকালের মহাকাব্য।
- গীতা মহাভারতের ভীষ্মপর্বের অংশ।
- আর্যদের মূল ধর্মগ্রন্থ বেদ, চারটি; প্রাচীনতম ঋগ্বেদ।
ক. মহাভারত: মহাভারত বেদব্যাসের রচিত মহাকাব্য, বৈদিক যুগের অনেক পরের।
খ. রামায়ণ: রামায়ণ বাল্মীকির রচিত মহাকাব্য; আর্যদের মূল ধর্মগ্রন্থ নয়।
গ. গীতা: গীতা মহাভারতের ভীষ্মপর্বের অংশ; আর্যদের মূল ধর্মগ্রন্থ বেদ।
আর্য মানেই বৈদিক যুগ, আর বৈদিক শব্দ এসেছে বেদ থেকে।
আর্যের জ্ঞান বেদে, প্রথম বেদ ঋগ্বেদ।