চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ দুটি নিম্নোক্ত কোন শ্রেণির?
সঠিক উত্তর
খমিং-ক্লাস
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম দুটি ডুবোজাহাজের শ্রেণি জানতে চেয়েছে। চীন থেকে কেনা বানৌজা নবযাত্রা ও বানৌজা জয়যাত্রা মিং শ্রেণির, চীনা নাম টাইপ শূন্য তিন পাঁচ জি।
মিং শ্রেণি হলো ডিজেল ও বৈদ্যুতিক শক্তিতে চলা প্রচলিত আক্রমণাত্মক ডুবোজাহাজ। ২০১৭ সালের ১২ মার্চ চট্টগ্রামে দুটি ডুবোজাহাজ কমিশন লাভ করে, আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়: জলের ওপর, জলের নিচে ও আকাশে।
অন্য শ্রেণিগুলো চিনে রাখা দরকার। কিলো শ্রেণি রাশিয়ার তৈরি ডিজেল ডুবোজাহাজ, ডলফিন শ্রেণি ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জার্মান নির্মিত ডুবোজাহাজ, আর শ্যাং শ্রেণি চীনের পারমাণবিক শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ।
ফাঁদ হলো শ্যাং শ্রেণি, কারণ সেটিও চীনের। কিন্তু শ্যাং পারমাণবিক ডুবোজাহাজ, যা চীন রপ্তানি করে না; বাংলাদেশ পেয়েছে প্রচলিত মিং শ্রেণি।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| শ্রেণি | দেশ ও ধরন |
|---|---|
| কিলো | রাশিয়া, ডিজেল ও বৈদ্যুতিক |
| ডলফিন | ইসরায়েলি নৌবাহিনী, জার্মানিতে নির্মিত |
| শ্যাং | চীন, পারমাণবিক শক্তিচালিত |
| মিং | চীন, ডিজেল ও বৈদ্যুতিক; বাংলাদেশের নবযাত্রা ও জয়যাত্রা |
- ডুবোজাহাজ দুটি: নবযাত্রা ও জয়যাত্রা, চীন থেকে কেনা।
- কিলো রাশিয়ার, ডলফিন ইসরায়েলের; বাদ।
- চীনের দুই শ্রেণির মধ্যে শ্যাং পারমাণবিক, মিং প্রচলিত ডিজেল।
- বাংলাদেশের ডুবোজাহাজ মিং শ্রেণির, কমিশন ২০১৭ সালে।
ক. কিলো-ক্লাস: কিলো-ক্লাস বিকল্পটি ভুল; কিলো শ্রেণি রাশিয়ার তৈরি, অথচ বাংলাদেশের ডুবোজাহাজ এসেছে চীন থেকে।
গ. ডলফিন-ক্লাস: ডলফিন-ক্লাস বিকল্পটি ভুল; এটি ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জার্মান নির্মিত ডুবোজাহাজ, চীনের নয়।
ঘ. শ্যাং-ক্লাস: শ্যাং-ক্লাস বিকল্পটি ভুল; শ্যাং চীনের পারমাণবিক শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ, বাংলাদেশের দুটি প্রচলিত ডিজেল ডুবোজাহাজ মিং শ্রেণির; একই দেশের বলে এটিই প্রধান ফাঁদ।
চীনের ডুবোজাহাজের মধ্যে প্রচলিত ও রপ্তানিযোগ্যটি খুঁজুন: মিং।
নবযাত্রা ও জয়যাত্রা, দুটিই মিং।