বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান কয়টি?
সঠিক উত্তর
ঘ৬টি
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক ওয়ার্ল্ডওয়াইড গভর্ন্যান্স ইন্ডিকেটরস নামে একটি সূচক প্রকাশ করে, যেখানে সুশাসনকে ছয়টি মাত্রায় মাপা হয়। উনিশশো ছিয়ানব্বই সাল থেকে দুইশোর বেশি দেশের জন্য এই সূচক তৈরি হচ্ছে। তাই বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান ছয়টি।
ছয়টি উপাদান হলো মত প্রকাশ ও জবাবদিহি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসতার অনুপস্থিতি, সরকারের কার্যকারিতা, নিয়ন্ত্রণের মান, আইনের শাসন, এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ।
সহজে মনে রাখতে তিন জোড়া করুন: ক্ষমতা কীভাবে বাছাই ও বদল হয়, এর জন্য প্রথম দুটি; সরকার নীতি কতটা ভালো করে বানায় ও চালায়, এর জন্য পরের দুটি; আর নাগরিক ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠানগুলোকে কতটা সম্মান করে, এর জন্য শেষ দুটি।
ফাঁদ হলো চার। উনিশশো বিরানব্বই সালের প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চার ক্ষেত্র বা স্তম্ভের কথা বলেছিল, এবং সেটিও বিসিএসে এসেছে। 'স্তম্ভ' শব্দ এলে চার, 'উপাদান' বা সূচকের কথা এলে ছয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| দিক | উপাদান |
|---|---|
| ক্ষমতার বাছাই ও বদল | ১. মত প্রকাশ ও জবাবদিহি; ২. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সহিংসতাহীনতা |
| সরকারের সামর্থ্য | ৩. সরকারের কার্যকারিতা; ৪. নিয়ন্ত্রণের মান |
| প্রতিষ্ঠানের প্রতি সম্মান | ৫. আইনের শাসন; ৬. দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ |
| মোট | ৬টি উপাদান |
- রাজনৈতিক দিক: মত প্রকাশ ও জবাবদিহি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।
- সরকারের দক্ষতা: সরকারের কার্যকারিতা, নিয়ন্ত্রণের মান।
- প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান: আইনের শাসন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ।
- তিন জোড়া মিলে ছয়টি উপাদান।
ক. ৩টি: তিনটি হলো ছয় উপাদানকে তিন দিকে ভাগ করার সংখ্যা, উপাদানের সংখ্যা নয়।
খ. ৫টি: পাঁচটি কোনো স্বীকৃত তালিকার সংখ্যা নয়।
গ. ৪টি: চার হলো বিশ্বব্যাংকের ১৯৯২ সালের স্তম্ভ বা ক্ষেত্র; উপাদান বা সূচক ছয়টি।
বিশ্বব্যাংক: স্তম্ভ চারটি (১৯৯২), সূচকের উপাদান ছয়টি।
তিন জোড়ায় ছয়: বিশ্বব্যাংকের সুশাসন সূচক।