আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে কত সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয়?

সঠিক উত্তর

গ২০১২

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয় দুই হাজার বারো সালে। সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়: জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল নামের এই দলিলটি মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয় দুই হাজার বারো সালের আঠারো অক্টোবর।

কৌশলটির লক্ষ্য শুদ্ধাচার চর্চা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা। এতে ষোলোটি প্রতিষ্ঠানকে ধরা হয়েছে: নির্বাহী বিভাগ, সংসদ, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ দশটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, আর পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যমসহ ছয়টি অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান।

সময়রেখায় সাজালে মনে রাখা সহজ: দুর্নীতি দমন কমিশন আইন দুই হাজার চার, তথ্য অধিকার আইন দুই হাজার নয়, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ সুরক্ষা আইন দুই হাজার এগারো, তারপর জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল দুই হাজার বারো।

দুই হাজার দশ, এগারো আর তেরো কাছাকাছি সাল বলে বিভ্রান্তি তৈরি করে; বিশেষ করে দুই হাজার এগারো সালে তথ্য প্রকাশকারীর সুরক্ষা আইন হওয়ায় অনেকে সেটি বাছেন। শুদ্ধাচার কৌশলের অনুমোদন দুই হাজার বারো।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
  1. ২০০৪দুর্নীতি দমন কমিশন আইন
  2. ২০০৯তথ্য অধিকার আইন
  3. ২০১১জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইন
  4. ২০১২জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, ১৮ অক্টোবর
  1. ২০০৪: দুর্নীতি দমন কমিশন আইন।
  2. ২০০৯: তথ্য অধিকার আইন; ২০১১: তথ্য প্রকাশকারীর সুরক্ষা আইন।
  3. ১৮ অক্টোবর ২০১২: মন্ত্রিসভায় জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল অনুমোদন।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. ২০১০: ২০১০ সালে কৌশলটি অনুমোদিত হয়নি; অনুমোদন ২০১২ সালের ১৮ অক্টোবর।

খ. ২০১১: ২০১১ সালে পাস হয় জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইন; শুদ্ধাচার কৌশল নয়।

ঘ. ২০১৩: ২০১৩ সালে নয়; কৌশলটি অনুমোদিত হয় ২০১২ সালের অক্টোবরে।

শর্টকাট

শুদ্ধাচার কৌশল মানেই ২০১২; তথ্য অধিকার আইন ২০০৯; দুদক আইন ২০০৪।

মনে রাখুন

বারোয় শুদ্ধ হও: শুদ্ধাচার কৌশল দুই হাজার বারো।