বড় > বড্ড – এটি কোন ধরনের পরিবর্তন?
সঠিক উত্তর
গব্যঞ্জনদ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি ধ্বনি পরিবর্তনের রীতি চিনতে বলছে। কখনো জোর দেওয়ার জন্য শব্দের একটি ব্যঞ্জনধ্বনি দুবার উচ্চারিত হয়, একে বলে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব।
বড় থেকে বড্ড হয়েছে, কারণ ড ধ্বনি দ্বিগুণ হয়েছে, আর অর্থে জোর এসেছে, মানে খুব। একই রকম পাকা থেকে পাক্কা, সকাল থেকে সক্কাল, ছোট থেকে ছোট্ট।
অন্য রীতিগুলোর পার্থক্য স্পষ্ট করে নিন। সমীভবনে পাশাপাশি দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জন একরকম হয়ে যায়, যেমন জন্ম থেকে জম্ম। বিষমীভবনে দুটি একই ব্যঞ্জনের একটি বদলে যায়, যেমন লাল থেকে নাল। ব্যঞ্জনবিকৃতিতে একটি ব্যঞ্জন অন্য ব্যঞ্জনে বদলায়, যেমন কবাট থেকে কপাট।
ফাঁদ হলো সমীভবন, কারণ সেখানেও শেষে একই ব্যঞ্জন দুবার দেখা যায়। পার্থক্য হলো, সমীভবনে আগে দুটি আলাদা ব্যঞ্জন ছিল; বড় শব্দে ড ছিল একটিই, জোর দিতে দ্বিতীয়টি যোগ হয়েছে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| রীতি | উদাহরণ | কী ঘটে |
|---|---|---|
| সমীভবন | জন্ম → জম্ম | দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জন একরকম হয় |
| বিষমীভবন | লাল → নাল | দুটি একই ব্যঞ্জনের একটি বদলায় |
| ব্যঞ্জনবিকৃতি | কবাট → কপাট | একটি ব্যঞ্জন অন্যটিতে বদলায় |
| ব্যঞ্জনদ্বিত্ব | বড় → বড্ড, পাকা → পাক্কা | জোর দিতে ব্যঞ্জন দ্বিগুণ হয় |
- সমীভবন: দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জন একরকম হয়, জন্ম থেকে জম্ম।
- বিষমীভবন: দুটি একই ব্যঞ্জনের একটি বদলায়, লাল থেকে নাল।
- ব্যঞ্জনবিকৃতি: একটি ব্যঞ্জন অন্যটিতে বদলায়, কবাট থেকে কপাট।
- ব্যঞ্জনদ্বিত্ব: জোর দিতে একটি ব্যঞ্জন দ্বিগুণ হয়, বড় থেকে বড্ড।
ক. বিষমীভবন: বিষমীভবনে দুটি একই ব্যঞ্জনের একটি বদলে যায়, যেমন লাল থেকে নাল; এখানে ব্যঞ্জন বদলায়নি, দ্বিগুণ হয়েছে।
খ. সমীভবন: সমীভবনে আগে থেকে থাকা দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জন একরকম হয়, যেমন জন্ম থেকে জম্ম; বড় শব্দে ড ছিল একটিই।
ঘ. ব্যঞ্জন-বিকৃতি: ব্যঞ্জনবিকৃতিতে একটি ব্যঞ্জন অন্যটিতে বদলায়, যেমন কবাট থেকে কপাট; এখানে ড বদলায়নি।
মূল শব্দে একটিই ব্যঞ্জন ছিল আর জোর বোঝাতে দ্বিগুণ হলে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব: বড্ড, পাক্কা, সক্কাল, ছোট্ট।
জোর দিলে দ্বিগুণ: বড় হয় বড্ড।