‘তাতে সমাজজীবন চলে না।’ – এ বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ কোনটি?
সঠিক উত্তর
গতাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে বলছে। শর্ত হলো অর্থ একটুও বদলাবে না, শুধু না-বোধক গঠন বদলে হ্যাঁ-বোধক গঠন হবে।
তাতে সমাজজীবন চলে না, মানে সমাজজীবন থেমে যায়। এই অর্থ হ্যাঁ-বোধক ভাবে বলতে চলে না-এর বদলে বিপরীত অর্থের শব্দ অচল ব্যবহার করি: তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।
এই রূপান্তরের কৌশল হলো না-যুক্ত অংশের একটি বিপরীতার্থক শব্দ খোঁজা। যেমন সে ধনী নয় হয় সে গরিব, কাজটা সহজ নয় হয় কাজটা কঠিন।
ফাঁদ হলো তাতে সমাজজীবন চলে বিকল্পটি। এটি অস্তিবাচক ঠিকই, কিন্তু শুধু না তুলে দেওয়ায় অর্থ উল্টে গেছে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| রূপ | গঠন | অর্থ ঠিক আছে? |
|---|---|---|
| তাতে সমাজজীবন চলে। | অস্তিবাচক | না, অর্থ উল্টে গেছে |
| তাতে না সমাজজীবন চলে। | নেতিবাচক | গঠনই বদলায়নি |
| তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে। | অস্তিবাচক | না, অর্থ উল্টো |
| তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে। | অস্তিবাচক | হ্যাঁ, অর্থ একই |
- তাতে সমাজজীবন চলে: না তুলে দেওয়ায় অর্থ উল্টে গেছে।
- তাতে না সমাজজীবন চলে: এখনো নেতিবাচক, পদক্রমও এলোমেলো।
- তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে: অর্থ উল্টো হয়ে গেছে।
- তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে: হ্যাঁ-বোধক, অর্থ অপরিবর্তিত।
ক. তাতে সমাজজীবন চলে।: না তুলে দেওয়ায় বাক্য অস্তিবাচক হয়েছে ঠিকই, কিন্তু অর্থ উল্টে গেছে; রূপান্তরে অর্থ বদলানো চলে না।
খ. তাতে না সমাজজীবন চলে।: এখনো না আছে, তাই বাক্যটি নেতিবাচকই রয়ে গেছে; পদক্রমও অশুদ্ধ।
ঘ. তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে।: সচল মানে চলমান, তাই অর্থ উল্টে গেছে; মূল বাক্য বলছে সমাজজীবন চলে না।
না-যুক্ত ক্রিয়া বা বিশেষণের বিপরীত শব্দ বসান: চলে না হয় অচল হয়, ধনী নয় হয় গরিব।
না সরাও, বিপরীত শব্দ বসাও, অর্থ রাখো।