হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী?
সঠিক উত্তর
ঘমহামহোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি জানতে চায়। উত্তর মহামহোপাধ্যায়, যা তিনি ১৮৯৮ সালে ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে পান। পরে ১৯১১ সালে তিনি সিআইই উপাধিও পান।
মহামহোপাধ্যায় ছিল সংস্কৃত শাস্ত্রে পাণ্ডিত্যের জন্য সরকারের দেওয়া সম্মানসূচক উপাধি। হরপ্রসাদ ছিলেন সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত, পুথি সংগ্রাহক ও ইতিহাসবিদ। তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
ফাঁদ লুকিয়ে আছে তাঁর নামেই। শাস্ত্রী অংশটি দেখে অনেকে শাস্ত্রজ্ঞ বিকল্পটি বেছে নেন। আসলে শাস্ত্রী তাঁর সংস্কৃত শিক্ষার স্বীকৃতি থেকে পাওয়া পদবি, আর মহামহোপাধ্যায় আলাদা সরকারি উপাধি।
বিদ্যাসাগর বিকল্পটিও ফাঁদ। বিদ্যাসাগর উপাধি পেয়েছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র, সংস্কৃত কলেজ থেকে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| উপাধি বা পদবি | কার |
|---|---|
| বিদ্যাসাগর | ঈশ্বরচন্দ্র |
| শাস্ত্রী | হরপ্রসাদের নামের অংশ |
| পণ্ডিত, শাস্ত্রজ্ঞ | সাধারণ বিশেষণ |
| মহামহোপাধ্যায় (১৮৯৮) | হরপ্রসাদ শাস্ত্রী |
- বিদ্যাসাগর: ঈশ্বরচন্দ্রের উপাধি, সংস্কৃত কলেজ থেকে।
- শাস্ত্রী: হরপ্রসাদের সংস্কৃত শিক্ষার স্বীকৃতি, নামের অংশ হয়ে গেছে।
- পণ্ডিত বা শাস্ত্রজ্ঞ: সাধারণ বিশেষণ, কোনো সরকারি উপাধি নয়।
- মহামহোপাধ্যায়: হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি, ১৮৯৮ সালে।
ক. পণ্ডিত: পণ্ডিত একটি সাধারণ সম্মানসূচক সম্বোধন, সরকারি উপাধি নয়।
খ. বিদ্যাসাগর: বিদ্যাসাগর উপাধি ঈশ্বরচন্দ্রের, সংস্কৃত কলেজ থেকে পাওয়া; হরপ্রসাদের নয়।
গ. শাস্ত্রজ্ঞ: শাস্ত্রজ্ঞ মানে শাস্ত্রে দক্ষ ব্যক্তি, কোনো উপাধি নয়; নামের শাস্ত্রী অংশ দেখে এই বিভ্রান্তি।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর তিনটি তথ্য একসঙ্গে: মহামহোপাধ্যায় ১৮৯৮, চর্যাপদ আবিষ্কার ১৯০৭, প্রকাশ ১৯১৬।
মহা পণ্ডিতের মহা উপাধি: মহামহোপাধ্যায়।