আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিষয়াবলি৪৪তম বিসিএস (২০২২)

কোন শাসকদের আমলে বাংলাভাষী অঞ্চল ‘বাঙ্গালা’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে?

সঠিক উত্তর

ঘমুসলিম

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে কোন যুগে পুরো বাংলাভাষী অঞ্চল একটি নামে, বাঙ্গালা নামে পরিচিত হয়। উত্তর মুসলিম শাসনামল।

সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ চৌদ্দ শতকের মাঝামাঝি লখনৌতি, সাতগাঁও ও সোনারগাঁওকে এক শাসনের অধীনে আনেন। তিনি শাহ-ই-বাঙ্গালা উপাধি নেন, আর তখন থেকেই পুরো অঞ্চল বাঙ্গালা নামে পরিচিত হতে থাকে।

এর আগে বাংলা নানা জনপদে বিভক্ত ছিল: পুণ্ড্র, বঙ্গ, গৌড়, সমতট ইত্যাদি। মৌর্য, গুপ্ত বা পাল আমলে পুরো অঞ্চলের একক নাম বাঙ্গালা ছিল না। পরে মুঘল আমলে সম্রাট আকবরের সময় এটি সুবা বাংলা নামে পরিচিত হয়।

পাল আমল বাংলার নিজস্ব শাসনের গৌরবময় যুগ বলে অনেকে পাল বেছে নেন। কিন্তু পাল রাজারা গৌড়েশ্বর নামে পরিচিত ছিলেন, পুরো দেশের একক নাম তখনো তৈরি হয়নি।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
  1. ৭৫০পাল বংশের শুরু, তখনো আলাদা জনপদ
  2. ১৩৫২ইলিয়াস শাহের অধীনে বাংলা ঐক্যবদ্ধ
  3. ১৫৭৬মুঘল অধিকার, পরে সুবা বাংলা
  1. প্রাচীন বাংলা ছিল পুণ্ড্র, বঙ্গ, গৌড়, সমতটের মতো আলাদা জনপদে বিভক্ত।
  2. ইলিয়াস শাহ তিন অংশকে এক করে শাহ-ই-বাঙ্গালা উপাধি নেন।
  3. মুসলিম শাসনামলেই পুরো অঞ্চল বাঙ্গালা নামে পরিচিত হয়।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. মৌর্য: মৌর্য আমলে বাংলার পুণ্ড্র অঞ্চল সাম্রাজ্যের অংশ ছিল, কিন্তু পুরো অঞ্চলের কোনো একক নাম ছিল না।

খ. গুপ্ত: গুপ্ত আমলে বাংলার অংশগুলো পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তির মতো প্রশাসনিক নামে পরিচিত ছিল, বাঙ্গালা নামে নয়।

গ. পাল: পাল রাজারা গৌড়েশ্বর নামে পরিচিত ছিলেন, পুরো দেশের একক নাম তখনো হয়নি; গৌরবময় যুগ বলে পাল বেছে নেওয়া ফাঁদ।

শর্টকাট

বাঙ্গালা নাম মানেই ইলিয়াস শাহ, শাহ-ই-বাঙ্গালা।

মনে রাখুন

ইলিয়াস শাহ জুড়লেন তিন ভাগ, নাম দিলেন বাঙ্গালা।