বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কী ধরণের স্যাটেলাইট হবে?
সঠিক উত্তর
গআর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের ধরন জানতে চেয়েছে। পরীক্ষার সময় পরিকল্পনা ছিল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ হবে আর্থ অবজারভেশন বা ভূ-পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট।
প্রথম স্যাটেলাইটটি, যা ২০১৮ সালের মে মাসে উৎক্ষেপণ করা হয়, একটি যোগাযোগ স্যাটেলাইট। এটি টেলিভিশন সম্প্রচার ও দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ সেবা দেয়। পরীক্ষার পরে, ২০২৫ সালের মার্চে, এর নাম বদলে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ রাখা হয়।
দ্বিতীয়টির কাজ আলাদা: মহাকাশ থেকে পৃথিবীর ছবি ও তথ্য সংগ্রহ। এর মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রসীমায় জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তায় সহায়তা পাওয়ার লক্ষ্য ধরা হয়েছে।
প্রথম স্যাটেলাইটের ধরন মনে রেখে দ্বিতীয়টিকেও যোগাযোগ স্যাটেলাইট ভাবা এখানে প্রধান ফাঁদ।
এটি পরীক্ষার সময়ের তথ্য — এখন বদলে থাকতে পারে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| স্যাটেলাইট | ধরন | কাজ |
|---|---|---|
| প্রথম, ২০১৮ | যোগাযোগ | সম্প্রচার ও যোগাযোগ সেবা |
| ২০২৫ সালে নতুন নাম | বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ | একই যোগাযোগ সেবা |
| দ্বিতীয়, পরিকল্পিত | আর্থ অবজারভেশন | কৃষি, দুর্যোগ, সমুদ্র পর্যবেক্ষণ |
- প্রথম স্যাটেলাইট, ২০১৮: যোগাযোগ স্যাটেলাইট।
- দ্বিতীয়টির লক্ষ্য মহাকাশ থেকে পৃথিবী পর্যবেক্ষণ।
- তাই দ্বিতীয়টি আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট।
ক. কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট: যোগাযোগ স্যাটেলাইট হলো প্রথমটি; প্রথমটির ধরন দ্বিতীয়টির উপর চাপানো ফাঁদ।
খ. ওয়েদার স্যাটেলাইট: শুধু আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের স্যাটেলাইট হিসেবে এটি পরিকল্পিত হয়নি; লক্ষ্য বহুমুখী ভূ-পর্যবেক্ষণ।
ঘ. ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট: দিক নির্ণয়ের ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট হিসেবে এর পরিকল্পনা করা হয়নি।
প্রথমটি কথা বলায়, দ্বিতীয়টি দেখায়: যোগাযোগ, তারপর পর্যবেক্ষণ।
এক নম্বর কথা বলে, দুই নম্বর পৃথিবী দেখে।