বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনার (Perspective Plan) সময়সীমা কত?
সঠিক উত্তর
গ২০২১-২০৪১
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ জানতে চেয়েছে। পরীক্ষার সময় চলমান ছিল দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, যার মেয়াদ ২০২১ থেকে ২০৪১।
প্রেক্ষিত পরিকল্পনা হলো দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনা, যার ভিত্তিতে পাঁচ বছর মেয়াদি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাগুলো সাজানো হয়। প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ছিল ২০১০ থেকে ২০২১, যা রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের জন্য।
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের রূপরেখা। এর লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্চ আয়ের উন্নত দেশে পৌঁছানো। অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ছিল এর প্রথম ধাপ।
দুই হাজার তিরিশ সাল টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শেষ বছর বলে ২০২১-২০৩০ বিকল্পটি বিভ্রান্ত করে। আর শতবর্ষী দীর্ঘ পরিকল্পনা হলো ডেল্টা প্ল্যান ২১০০, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ২০১০প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা শুরু
- ২০২১প্রথমটি শেষ, দ্বিতীয়টি শুরু
- ২০৩০টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শেষ বছর
- ২০৪১দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা শেষ
- প্রেক্ষিত পরিকল্পনা মানে দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা।
- প্রথমটি ২০১০ থেকে ২০২১, রূপকল্প ২০২১ এর জন্য।
- দ্বিতীয়টি ২০২১ থেকে ২০৪১, রূপকল্প ২০৪১ এর জন্য।
ক. ২০২১-২০৩০: ২০৩০ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শেষ বছর; প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ ২০৪১ পর্যন্ত।
খ. ২০২৪-২০৩২: ২০২৪-২০৩২ কোনো জাতীয় পরিকল্পনার মেয়াদের সঙ্গে মেলে না।
ঘ. ২০২২-২০৫০: ২০৫০ পর্যন্ত কোনো প্রেক্ষিত পরিকল্পনা নেই; দীর্ঘ পরিকল্পনা হলো ডেল্টা প্ল্যান ২১০০।
প্রেক্ষিত পরিকল্পনার শেষ বছর আর রূপকল্পের বছর একই: ২০২১ ও ২০৪১।
একুশ থেকে একচল্লিশ, উন্নত দেশের স্বপ্ন।