‘নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি’ কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট?
সঠিক উত্তর
গচীন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি কোন দেশের সঙ্গে যুক্ত, তা জানতে চেয়েছে। উত্তর চীন।
ইংরেজিতে একে বলা হয় উলফ ওয়ারিয়র ডিপ্লোম্যাসি। এর মানে চীনা কূটনীতিকদের আক্রমণাত্মক ও সংঘাতমূলক ভাষায় সমালোচনার জবাব দেওয়ার কৌশল, বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমে ও সংবাদ সম্মেলনে। প্রায় ২০১৯ ও ২০২০ সাল থেকে শব্দটি ব্যাপক প্রচলিত হয়।
নামটি এসেছে উলফ ওয়ারিয়র নামের চীনা অ্যাকশন চলচ্চিত্র থেকে। ২০১৫ সালে প্রথম ছবি এবং ২০১৭ সালে দ্বিতীয় ছবি মুক্তি পায়; দ্বিতীয়টি চীনে বিপুল ব্যবসাসফল হয়, যেখানে এক চীনা সৈনিক বিদেশে চীনের স্বার্থ রক্ষা করেন।
রাশিয়া বা উত্তর কোরিয়াও আক্রমণাত্মক বক্তব্যের জন্য পরিচিত, তাই অনেকে সেগুলো বেছে নেন। কিন্তু এই নির্দিষ্ট পরিভাষা চীনের কূটনীতি বোঝাতেই তৈরি।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ২০১৫চীনা চলচ্চিত্র উলফ ওয়ারিয়র মুক্তি
- ২০১৭উলফ ওয়ারিয়র দুই, বিপুল ব্যবসাসফল
- ২০২০চীনা কূটনীতিকদের আক্রমণাত্মক কৌশল নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি নামে পরিচিত হয়
- পরিভাষাটির উৎস একটি চলচ্চিত্রের নাম: উলফ ওয়ারিয়র।
- চলচ্চিত্রটি চীনা, ২০১৫ ও ২০১৭ সালে মুক্তি পায়।
- তাই নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি মানে চীনের আক্রমণাত্মক কূটনীতি।
ক. ভিয়েতনাম: ভিয়েতনাম বিকল্পটি ভুল; ভিয়েতনামের কূটনীতিকে বরং বাঁশ কূটনীতি বলা হয়, যা নমনীয়তা বোঝায়।
খ. উত্তর কোরিয়া: উত্তর কোরিয়া বিকল্পটি ভুল; দেশটি আক্রমণাত্মক বক্তব্যের জন্য পরিচিত হলেও নেকড়েযোদ্ধা পরিভাষাটি চীনা চলচ্চিত্র থেকে, চীনের জন্যই।
ঘ. রাশিয়া: রাশিয়া বিকল্পটি ভুল; রাশিয়ার কূটনীতি কঠোর হলেও নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি পরিভাষাটি নির্দিষ্টভাবে চীনের।
পরিভাষার পেছনে চলচ্চিত্র থাকলে চলচ্চিত্রটি কোন দেশের, সেটি ধরুন।
নেকড়ে ছবি চীনের, নেকড়ে কূটনীতিও চীনের।