আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি৪৪তম বিসিএস (২০২২)

২০২২ সালে কোন দেশ জাতিসংঘের শান্তিস্থাপন কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়?

সঠিক উত্তর

গবাংলাদেশ

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি জাতিসংঘ শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের নেতৃত্ব নিয়ে। ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিশনের ২০২২ সালের সভাপতি নির্বাচিত হন, তাই উত্তর বাংলাদেশ।

শান্তিবিনির্মাণ কমিশন জাতিসংঘের একটি উপদেষ্টা সংস্থা। যুদ্ধ বা সংঘাত থামার পর কোনো দেশ যেন আবার সংঘাতে ফিরে না যায়, সেজন্য পুনর্গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা নিয়ে এটি কাজ করে। এর সভাপতি এক বছরের জন্য নির্বাচিত হন।

বাংলাদেশ এর আগেও এই দায়িত্ব পেয়েছিল। ২০১২ সালে তৎকালীন স্থায়ী প্রতিনিধি আব্দুল মোমেন কমিশনের সভাপতি হন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ শীর্ষ সেনা প্রেরণকারী দেশগুলোর একটি, তাই শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজে দেশটির অভিজ্ঞতা দীর্ঘ।

যুক্তরাষ্ট্র বা ভারতকে বড় শক্তি বলে অনেকে বেছে নেন, কিন্তু ২০২২ সালে সভাপতির পদ তাদের কাছে ছিল না।

এটি পরীক্ষার সময়ের তথ্য — এখন বদলে থাকতে পারে।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
  1. ২০১২আব্দুল মোমেন সভাপতি
  2. ২০২২রাবাব ফাতিমা সভাপতি
  1. শান্তিবিনির্মাণ কমিশন সংঘাত-পরবর্তী দেশ পুনর্গঠনে কাজ করে।
  2. ২০১২ সালে বাংলাদেশের আব্দুল মোমেন কমিশনের সভাপতি হন।
  3. ২০২২ সালে বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা আবার সভাপতি নির্বাচিত হন।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হলেও ২০২২ সালে শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের সভাপতি ছিল না।

খ. সুইজারল্যান্ড: সুইজারল্যান্ড ২০২২ সালে এই কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়নি; জেনেভায় জাতিসংঘের দপ্তর থাকায় নামটি বিভ্রান্তি তৈরি করে।

ঘ. ভারত: ভারত ২০২২ সালে এই কমিশনের সভাপতি ছিল না; প্রতিবেশী দেশ বলে বিকল্পটি বিভ্রান্তি তৈরি করে।

শর্টকাট

শান্তিবিনির্মাণ কমিশনে বাংলাদেশ দুবার সভাপতি: ২০১২ ও ২০২২।

মনে রাখুন

দশ বছর পর আবার সভাপতি: ২০১২ মোমেন, ২০২২ রাবাব।