বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয় কোনটি?
সঠিক উত্তর
কঘন ঘন বন্যা
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি ব্লু-ইকোনমি বা সুনীল অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ নিয়ে, আর জানতে চেয়েছে কোনটি চ্যালেঞ্জ নয়। প্রচলিত উত্তর ঘন ঘন বন্যা।
ব্লু-ইকোনমি মানে সমুদ্র ও সমুদ্রসম্পদ টেকসইভাবে ব্যবহার করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন: সামুদ্রিক মাছ, বন্দর ও জাহাজ চলাচল, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, পর্যটন। মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির পর বাংলাদেশের সামনে এই খাত বড় সুযোগ হিসেবে এসেছে।
এর চ্যালেঞ্জ সমুদ্রকেন্দ্রিক। সমুদ্র দূষণ মাছ ও জীববৈচিত্র্য নষ্ট করে। ত্রুটিপূর্ণ সমুদ্র শাসন মানে নজরদারি, আইন প্রয়োগ ও সমন্বয়ের ঘাটতি, যাতে অবৈধ মাছ ধরা ও সম্পদ নষ্ট হয়। এ দুটো সরাসরি সমুদ্রসম্পদ ব্যবহারের পথে বাধা।
ঘন ঘন বন্যা মূলত দেশের ভেতরের নদী ও প্লাবনভূমির দুর্যোগ, সমুদ্রসম্পদ ব্যবহারের সরাসরি সমস্যা নয়। তাই এটিই চ্যালেঞ্জের তালিকার বাইরে। উপরের কোনটিই নয় বেছে নিলে মেনে নিতে হয় যে তিনটিই চ্যালেঞ্জ, যা ঠিক নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিষয় | ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ? |
|---|---|
| ব্লু-ইকোনমি | মাছ, বন্দর, তেল-গ্যাস, পর্যটন |
| সমুদ্র দূষণ | হ্যাঁ, সমুদ্রসম্পদ নষ্ট করে |
| ত্রুটিপূর্ণ সমুদ্র শাসন | হ্যাঁ, নজরদারি ও আইনের ঘাটতি |
| ঘন ঘন বন্যা | না, মূলত স্থলভাগের দুর্যোগ |
- ব্লু-ইকোনমি মানে সমুদ্রসম্পদভিত্তিক অর্থনীতি।
- সমুদ্র দূষণ ও দুর্বল সমুদ্র শাসন সরাসরি সমুদ্রসম্পদের ক্ষতি করে।
- বন্যা মূলত স্থলভাগের নদীর দুর্যোগ, তাই এটি ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয়।
খ. সমুদ্র দূষণ: সমুদ্র দূষণ মাছ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নষ্ট করে, তাই এটি ব্লু-ইকোনমির বড় চ্যালেঞ্জ।
গ. ত্রুটিপূর্ণ সমুদ্র শাসন: সমুদ্র শাসনে ঘাটতি থাকলে অবৈধ মাছ ধরা ও সম্পদ অপচয় হয়; এটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।
ঘ. উপরের কোনটিই নয়: বন্যা সমুদ্রকেন্দ্রিক সমস্যা নয়, তাই তিনটিকেই চ্যালেঞ্জ ধরা ঠিক নয়।
যে সমস্যা সমুদ্রে নয়, ডাঙায়, সেটি ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয়।
নীল অর্থনীতির শত্রু নীল পানিতেই খুঁজুন।