জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল অনুসারে ‘শুদ্ধাচার’ হচ্ছে-
সঠিক উত্তর
গসততা ও নৈতিকতা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ
ব্যাখ্যা
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলে শুদ্ধাচারের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এভাবে: শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ বোঝায়। এর দ্বারা একটি সমাজের কালোত্তীর্ণ মানদণ্ড, নীতি ও প্রথার প্রতি আনুগত্যও বোঝানো হয়।
শব্দটি ভাঙলে অর্থ পরিষ্কার: শুদ্ধ মানে নির্মল বা খাঁটি, আচার মানে আচরণ। অর্থাৎ খাঁটি আচরণ। কৌশলে আরও বলা হয়েছে, ব্যক্তি পর্যায়ে এর অর্থ কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা, তথা চরিত্রনিষ্ঠা।
উদাহরণ: একজন কর্মকর্তা ফাইল দ্রুত ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা নেন না, আর কেউ না দেখলেও নিয়ম মেনে কাজ করেন। এটাই সততা ও নৈতিকতায় চালিত আচরণের উৎকর্ষ।
বাকি বিকল্পগুলো শুনতে কাছাকাছি, কিন্তু সংকীর্ণ। শুদ্ধাচার শুধু কাজের কৌশল বা শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের আচরণের মানদণ্ড নয়; এটি পরিবার, ব্যবসা, গণমাধ্যমসহ সবার জন্য।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, ২০১২
- শব্দ ভাঙি: শুদ্ধ মানে খাঁটি, আচার মানে আচরণ।
- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ২০১২ সংজ্ঞা দেয়।
- শুদ্ধাচার: নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ।
ক. শুদ্ধভাবে কার্যসম্পাদনের কৌশল: শুদ্ধাচার শুধু কাজের কৌশল নয়; এটি নৈতিকতা ও সততায় চালিত আচরণ।
খ. সরকারী কর্মকর্তাদের আচরণের মানদণ্ড: এটি শুধু সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য নয়, পরিবার ও সমাজসহ সবার জন্য।
ঘ. দৈনন্দিন কার্যক্রমে অনুসৃতব্য মানদণ্ড: দৈনন্দিন মানদণ্ড শব্দটি অস্পষ্ট; সংজ্ঞার মূল শব্দ সততা ও নৈতিকতা এখানে নেই।
শুদ্ধাচারের সংজ্ঞায় তিনটি চাবি শব্দ: নৈতিকতা, সততা, আচরণগত উৎকর্ষ।
শুদ্ধ আচার মানে সৎ ও নৈতিক সেরা আচরণ।