আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে দুর্নীতিকে দণ্ডনীয় ঘোষণা করা হয়েছে যে বিধানে-

সঠিক উত্তর

ঘউপরের সবগুলোতে

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে দুর্নীতি একাধিক আইন ও বিধিতে দণ্ডনীয়, তাই উত্তর উপরের সবগুলোতে। প্রশ্নটি দেখতে চায় আপনি জানেন কি না যে ফৌজদারি আইন, বিশেষ আইন আর চাকরির বিধি, তিন স্তরেই দুর্নীতির শাস্তি আছে।

আঠারোশো ষাট সালের দণ্ডবিধির নবম অধ্যায়ে সরকারি কর্মচারীর ঘুষ গ্রহণসহ নানা অপরাধের শাস্তি আছে, আর অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ ও আত্মসাতের ধারাও আছে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দুই হাজার চার, এর তফসিলে দণ্ডবিধির এসব ধারাকে কমিশনের তদন্তযোগ্য অপরাধ বলা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে সম্পদের হিসাব না দেওয়া বা জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সংগতিহীন সম্পদ রাখাও আলাদা অপরাধ। আর দুই হাজার আঠারো সালের সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালায় দুর্নীতি বিভাগীয় শাস্তির কারণ, যার সর্বোচ্চ শাস্তি চাকরি থেকে বরখাস্ত।

যেকোনো একটি বাছাই ফাঁদ, কারণ তিনটিই সত্যি। একটিতে ফৌজদারি সাজা, একটিতে বিশেষ আইনে সাজা, আর একটিতে চাকরিগত শাস্তি।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৪/৪
  1. ১৮৬০দণ্ডবিধি: ঘুষ, বিশ্বাসভঙ্গ, আত্মসাৎ
  2. ২০০৪দুর্নীতি দমন কমিশন আইন
  3. ২০১৮সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা
  4. সিদ্ধান্তউপরের সবগুলোতে দুর্নীতি দণ্ডনীয়
  1. ১৮৬০: দণ্ডবিধিতে সরকারি কর্মচারীর ঘুষ ও আত্মসাৎ দণ্ডনীয়।
  2. ২০০৪: দুর্নীতি দমন কমিশন আইন; সংগতিহীন সম্পদ অপরাধ।
  3. ২০১৮: শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালায় দুর্নীতি বিভাগীয় শাস্তির কারণ।
  4. তিনটিতেই দুর্নীতি দণ্ডনীয়: উত্তর সবগুলো।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. ১৮৬০ সালে প্রণীত দণ্ডবিধিতে: দণ্ডবিধিতে দুর্নীতি দণ্ডনীয় ঠিকই, কিন্তু একমাত্র এখানে নয়।

খ. ২০০৪ সালে প্রণীত দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে: দুদক আইনেও দণ্ডনীয়, তবে একমাত্র নয়।

গ. ২০১৮ সালে প্রণীত সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালাতে: বিধিমালায় বিভাগীয় শাস্তি আছে, তবে একমাত্র নয়।

শর্টকাট

দুর্নীতি: দণ্ডবিধিতে ফৌজদারি সাজা, দুদক আইনে বিশেষ সাজা, চাকরিবিধিতে বিভাগীয় শাস্তি।

মনে রাখুন

দণ্ডবিধি, দুদক, চাকরিবিধি: তিন দরজাতেই দুর্নীতির শাস্তি।