‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
সঠিক উত্তর
খমানসী
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি রবীন্দ্রনাথের দুটি কবিতার উৎস কাব্যগ্রন্থ জানতে চেয়েছে। ‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ দুটিই ‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থের কবিতা, যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত।
মানসীকে রবীন্দ্রনাথের কবি প্রতিভার পরিণত পর্বের সূচনা ধরা হয়। প্রেমের প্রকাশ্য আর গোপন দুই রূপ নিয়ে লেখা এই জোড়া কবিতা এই পর্বেরই। নিষ্ফল কামনা, মেঘদূত, সুরদাসের প্রার্থনা এই গ্রন্থের আরও কিছু পরিচিত কবিতা।
কাব্যগ্রন্থগুলোর ক্রম মনে রাখলে সুবিধা হয়: মানসী ১৮৯০, সোনার তরী ১৮৯৪, কল্পনা ১৯০০, খেয়া ১৯০৬।
ফাঁদ হলো সোনার তরী, কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের সবচেয়ে বেশি আলোচিত কাব্যগ্রন্থের একটি এবং মানসীর ঠিক পরেই এসেছে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৮৯০মানসী: ব্যক্ত প্রেম, গুপ্ত প্রেম
- ১৮৯৪সোনার তরী
- ১৯০০কল্পনা
- ১৯০৬খেয়া
- মানসী ১৮৯০: এতে ব্যক্ত প্রেম ও গুপ্ত প্রেম।
- পরে সোনার তরী ১৮৯৪ আর কল্পনা ১৯০০।
- শেষে খেয়া ১৯০৬।
ক. খেয়া: খেয়া ১৯০৬ সালের কাব্যগ্রন্থ; এ দুটি কবিতা এতে নেই।
গ. কল্পনা: কল্পনা ১৯০০ সালের কাব্যগ্রন্থ; কবিতা দুটি এর অন্তর্গত নয়।
ঘ. সোনার তরী: সোনার তরী মানসীর পরের কাব্যগ্রন্থ, ১৮৯৪; কবিতা দুটি এতে নেই।
প্রেমের দুই রূপ, ব্যক্ত আর গুপ্ত, দুটিই মনের কথা: তাই মানসী।
মনের প্রেম ব্যক্ত হোক বা গুপ্ত, থাকে মানসীতে।