যে কারণে শৈশব-অন্ধত্ব হতে পারে তা হলো –
সঠিক উত্তর
গহাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি শিশুদের অন্ধত্বের একটি প্রতিরোধযোগ্য কারণ নিয়ে। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে উত্তর হাম।
হাম হলে শিশুর দেহে ভিটামিন এ দ্রুত কমে যায়। ভিটামিন এ চোখের কর্নিয়া সুস্থ রাখতে আর অল্প আলোয় দেখতে অপরিহার্য। তাই আগে থেকেই অপুষ্টি বা ভিটামিন এ-র ঘাটতি থাকলে হামের সময় কর্নিয়ায় ঘা হয়, দাগ পড়ে, এবং শিশু চিরতরে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে হাম শৈশব-অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। এ কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হামে আক্রান্ত শিশুকে ভিটামিন এ দেওয়ার পরামর্শ দেয়, আর হামের টিকা এই অন্ধত্ব অনেকটাই কমিয়েছে।
এইচআইভি, ম্যালেরিয়া ও যক্ষ্মা গুরুতর রোগ হলেও শিশুদের অন্ধত্বের প্রধান কারণ হিসেবে পরিচিত নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| রোগ | প্রধান ক্ষতি |
|---|---|
| এইচআইভি/এইডস | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট |
| ম্যালেরিয়া | লোহিত কণিকা ধ্বংস, রক্তশূন্যতা |
| যক্ষ্মা | প্রধানত ফুসফুস |
| হাম | ভিটামিন এ কমে কর্নিয়ায় ঘা: শৈশব-অন্ধত্ব |
- হাম শিশুর দেহের ভিটামিন এ কমিয়ে দেয়।
- ভিটামিন এ-র অভাবে কর্নিয়ায় ঘা ও দাগ হয়।
- ফলে স্থায়ী অন্ধত্ব হতে পারে; প্রতিরোধে টিকা ও ভিটামিন এ।
ক. এইচআইভি/এইডস: এইচআইভি প্রধানত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে; শৈশব-অন্ধত্বের প্রধান কারণ নয়।
খ. ম্যালেরিয়া: ম্যালেরিয়া লোহিত কণিকা ধ্বংস করে রক্তশূন্যতা ঘটায়, অন্ধত্বের প্রধান কারণ নয়।
ঘ. যক্ষা: যক্ষ্মা প্রধানত ফুসফুসের রোগ, শিশুদের অন্ধত্বের পরিচিত কারণ নয়।
শৈশব-অন্ধত্ব মানেই ভিটামিন এ-র ঘাটতি, আর হাম সেই ঘাটতিকে তীব্র করে।
হামে কমে ভিটামিন এ, চোখে নামে আঁধার।