স্বরান্ত অক্ষরকে কী বলে?
সঠিক উত্তর
খমুক্তাক্ষর
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি অক্ষরের প্রকারভেদ নিয়ে। এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বা দল বলে। অক্ষরের শেষে কোন ধ্বনি আছে, তার উপর নির্ভর করে অক্ষর দুই প্রকার।
যে অক্ষরের শেষে স্বরধ্বনি থাকে, তাকে মুক্তাক্ষর বা স্বরান্ত অক্ষর বলে। যেমন বা, কি, মা: শেষে আ বা ই স্বর আছে, উচ্চারণ খোলা থাকে।
যে অক্ষরের শেষে ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে, তাকে বদ্ধাক্ষর বা ব্যঞ্জনান্ত অক্ষর বলে। যেমন কাল্, মন্, হাত্: শেষে ব্যঞ্জনে উচ্চারণ বন্ধ হয়ে যায়।
ফাঁদ হলো একাক্ষর আর যুক্তাক্ষর। একাক্ষর মানে এক অক্ষরের শব্দ, আর যুক্তাক্ষর মানে যুক্তবর্ণ; দুটির কোনোটিই স্বরান্ত হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩স্বরে শেষ = মুক্তাক্ষর; ব্যঞ্জনে শেষ = বদ্ধাক্ষর
- এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছই অক্ষর।
- শেষে স্বর থাকলে মুক্তাক্ষর: বা, কি।
- শেষে ব্যঞ্জন থাকলে বদ্ধাক্ষর: কাল্, মন্।
ক. একাক্ষর: একাক্ষর মানে এক অক্ষরের শব্দ; শেষ ধ্বনি স্বর না ব্যঞ্জন, তা এতে বোঝায় না।
গ. বদ্ধাক্ষর: বদ্ধাক্ষর উল্টোটা: যে অক্ষরের শেষে ব্যঞ্জন থাকে।
ঘ. যুক্তাক্ষর: যুক্তাক্ষর মানে একাধিক ব্যঞ্জন মিলে তৈরি বর্ণ; এটি অক্ষরের এই শ্রেণিবিভাগের অংশ নয়।
স্বরান্ত মানে মুক্ত, ব্যঞ্জনান্ত মানে বদ্ধ।
স্বরে খোলা মুক্ত, ব্যঞ্জনে তালা বদ্ধ।