'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন?
সঠিক উত্তর
গরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা মোতাহের হোসেন চৌধুরীর প্রবন্ধ জীবন ও বৃক্ষ থেকে। প্রবন্ধটি তাঁর সংস্কৃতি কথা গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, আর এতে বৃক্ষকে মানুষের বিকশিত জীবনের প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এই প্রবন্ধে লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন। তপোবন মানে প্রাচীন ভারতের ঋষিদের বনের আশ্রম, যেখানে প্রকৃতির মাঝে সাধনা ও শিক্ষা চলত।
রবীন্দ্রনাথ এই তপোবনের আদর্শে শান্তিনিকেতনে খোলা প্রকৃতির মাঝে শিক্ষার আয়োজন করেছিলেন, আর বৃক্ষ নিয়ে তাঁর বহু লেখা আছে। তাই এই বিশেষণ তাঁর জন্যই মানানসই।
ফাঁদ হলো বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অরণ্য আর প্রকৃতি নিয়ে লেখার জন্য তাঁকে মনে পড়তে পারে, কিন্তু এই প্রবন্ধে তপোবন-প্রেমিক বলা হয়েছে রবীন্দ্রনাথকে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রবন্ধ | জীবন ও বৃক্ষ |
| লেখক | মোতাহের হোসেন চৌধুরী |
| উৎস গ্রন্থ | সংস্কৃতি কথা |
| তপোবন-প্রেমিক | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
- প্রবন্ধ ‘জীবন ও বৃক্ষ’, লেখক মোতাহের হোসেন চৌধুরী।
- প্রবন্ধটি তাঁর ‘সংস্কৃতি কথা’ গ্রন্থ থেকে নেওয়া।
- এখানে ‘তপোবন-প্রেমিক’ বলা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।
ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে: অরণ্য ও প্রকৃতির লেখক হিসেবে পরিচিত বলে প্রলোভন; কিন্তু প্রবন্ধে তাঁকে এই নামে ডাকা হয়নি।
খ. জসীম উদ্দীনকে: জসীম উদ্দীন পরিচিত পল্লিকবি নামে; তপোবন-প্রেমিক নন।
ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে: শরৎচন্দ্র কথাসাহিত্যিক; প্রবন্ধে এই বিশেষণ তাঁর জন্য নয়।
তপোবন শব্দ দেখলেই শান্তিনিকেতন আর রবীন্দ্রনাথের কথা ভাবুন।
তপোবনের আদর্শে শান্তিনিকেতন: তপোবন-প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ।