মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ কয়টি?
সঠিক উত্তর
কচারটি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি মানুষের রক্তের গ্রুপ সংখ্যা জানতে চাইছে। প্রধান এবিও পদ্ধতিতে রক্তের গ্রুপ চারটি: এ, বি, এবি ও ও।
লোহিত কণিকার গায়ে কোন অ্যান্টিজেন আছে তা দেখে গ্রুপ ঠিক হয়। এ গ্রুপে এ অ্যান্টিজেন, বি গ্রুপে বি অ্যান্টিজেন, এবি গ্রুপে দুটোই, আর ও গ্রুপে কোনোটিই নেই। তাই ও গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা এবং এবি গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয়।
অস্ট্রীয় বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার ১৯০১ সালে এবিও পদ্ধতির ভিত্তি আবিষ্কার করেন এবং ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পান। পরে তিনি আরএইচ ফ্যাক্টরও আবিষ্কারে ভূমিকা রাখেন; আরএইচ যোগ করলে গ্রুপগুলো পজিটিভ ও নেগেটিভে ভাগ হয়।
ফাঁদ হলো আরএইচ ফ্যাক্টর মিলিয়ে বেশি সংখ্যা ভাবা। প্রশ্নের প্রচলিত উত্তর এবিও পদ্ধতির চারটি গ্রুপ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| গ্রুপ | অ্যান্টিজেন | বিশেষত্ব |
|---|---|---|
| এ | এ | |
| বি | বি | |
| এবি | এ ও বি | সর্বজনীন গ্রহীতা |
| ও | নেই | সর্বজনীন দাতা |
| মোট | ৪টি গ্রুপ | ল্যান্ডস্টেইনার, ১৯০১ |
- এবিও পদ্ধতিতে লোহিত কণিকার অ্যান্টিজেন দেখে গ্রুপ ঠিক হয়।
- এ ও বি গ্রুপ: একটি করে অ্যান্টিজেন।
- এবি: দুটোই, সর্বজনীন গ্রহীতা; ও: কোনোটিই নেই, সর্বজনীন দাতা।
- মোট চারটি গ্রুপ, আবিষ্কারক ল্যান্ডস্টেইনার।
খ. পাঁচটি: পাঁচটি গ্রুপ এবিও পদ্ধতিতে নেই।
গ. তিনটি: তিনটি ছিল ল্যান্ডস্টেইনারের প্রথম পর্যবেক্ষণ; এবি গ্রুপ পরের বছর শনাক্ত হয়, তাই মোট চারটি।
ঘ. দুইটি: দুইটি হলো আরএইচ পদ্ধতির পজিটিভ ও নেগেটিভ ভাগ, রক্তের গ্রুপের সংখ্যা নয়।
এবিও পদ্ধতিতে চারটি গ্রুপ; আরএইচ আলাদা পদ্ধতি।
এ, বি, এবি, ও: চার রঙের রক্তের দল।