কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে কোন বাঙালি বিজ্ঞানী গবেষণা করেছেন?
সঠিক উত্তর
গজামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করা বাঙালি বিজ্ঞানীর নাম জানতে চাইছে। উত্তর অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম, যিনি গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞান ও বিশ্বতত্ত্বের গবেষক।
তিনি কেমব্রিজের তাত্ত্বিক জ্যোতির্বিদ্যা প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশের নানা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই দি আলটিমেট ফেট অব দি ইউনিভার্স মহাবিশ্বের দূর ভবিষ্যৎ নিয়ে লেখা এবং বিশ্বজুড়ে আলোচিত।
দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গাণিতিক ও ভৌত বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলেন। কৃষ্ণগহ্বরের আরেক নাম কৃষ্ণবিবর; এই নামে তাঁর প্রথম বাংলা বই ১৯৮৫ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়।
বাকি তিনজন অন্য ক্ষেত্রে বিখ্যাত। কুদরত-ই-খুদা রসায়নবিদ ও স্বাধীন দেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের প্রধান। কাজী মোতাহার হোসেন পরিসংখ্যানবিদ ও দাবাড়ু। আব্দুল মতিন চৌধুরী পদার্থবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪| বিজ্ঞানী | পরিচিতি |
|---|---|
| জামাল নজরুল ইসলাম | কৃষ্ণগহ্বর, বিশ্বতত্ত্ব |
| The Ultimate Fate of the Universe (১৯৮৩) | |
| কুদরত-ই-খুদা | রসায়নবিদ, শিক্ষা কমিশন |
| কাজী মোতাহার হোসেন | পরিসংখ্যানবিদ, দাবাড়ু |
| আব্দুল মতিন চৌধুরী | পদার্থবিজ্ঞানী, ঢাবি উপাচার্য |
- জামাল নজরুল ইসলাম: কৃষ্ণগহ্বর ও মহাবিশ্বের পরিণতি নিয়ে গবেষণা।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশ: The Ultimate Fate of the Universe।
- কুদরত-ই-খুদা রসায়ন, কাজী মোতাহার হোসেন পরিসংখ্যান।
- আব্দুল মতিন চৌধুরী পদার্থবিজ্ঞানী, ঢাবির উপাচার্য।
ক. কুদরত-ই-খুদা: কুদরত-ই-খুদা রসায়নবিদ, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের প্রধান।
খ. কাজী মোতাহার হোসেন: কাজী মোতাহার হোসেন পরিসংখ্যানবিদ, সাহিত্যিক ও দাবাড়ু।
ঘ. আব্দুল মতিন চৌধুরী: আব্দুল মতিন চৌধুরী পদার্থবিজ্ঞানী ও শিক্ষা প্রশাসক; কৃষ্ণগহ্বর তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র নয়।
কৃষ্ণগহ্বর বা মহাবিশ্বের পরিণতি এলেই জামাল নজরুল ইসলাম।
জামালের চোখ আকাশের অন্ধকার গহ্বরে।