কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন পদক পান?
সঠিক উত্তর
খনারীর ক্ষমতায়ন
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা জানতে চেয়েছে ২০১৬ সালের প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি চ্যাম্পিয়ন সম্মাননা কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। উত্তর নারীর ক্ষমতায়ন; জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইমেন এই সম্মাননা দেয়।
নামের ফিফটি ফিফটি অংশই সূত্র: এর অর্থ নারী পুরুষের সমান অংশীদারত্ব। ইউএন উইমেনের এই উদ্যোগের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে লিঙ্গসমতা, আর এ লক্ষ্যে কাজ করা নেতাদের এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এটি দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম তাঁকে এজেন্ট অব চেঞ্জ পুরস্কারও দেয়, সেটিও নারীর ক্ষমতায়নে অবদানের জন্য।
বাকি বিকল্পগুলো অন্য পুরস্কারের সাথে গুলিয়ে যায়। যেমন শিশুমৃত্যু হ্রাসে সাফল্যের জন্য ২০১০ সালে বাংলাদেশ এমডিজি পুরস্কার পেয়েছিল; প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি সেই ধরনের স্বাস্থ্যবিষয়ক পুরস্কার নয়।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| সম্মাননা | ক্ষেত্র |
|---|---|
| এমডিজি পুরস্কার, ২০১০ | শিশুমৃত্যু হ্রাস |
| প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি চ্যাম্পিয়ন, ২০১৬, ইউএন উইমেন | নারীর ক্ষমতায়ন |
| এজেন্ট অব চেঞ্জ, ২০১৬, গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম | নারীর ক্ষমতায়ন |
- ২০১০: শিশুমৃত্যু হ্রাসে সাফল্যের জন্য এমডিজি পুরস্কার, এটি আলাদা সম্মাননা।
- ২০১৬: ইউএন উইমেনের প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি চ্যাম্পিয়ন, নারীর ক্ষমতায়নে অবদানের জন্য।
- একই অনুষ্ঠানে এজেন্ট অব চেঞ্জ পুরস্কারও, সেটিও নারীর ক্ষমতায়নে।
ক. মানবাধিকার: সম্মাননাটি সাধারণ মানবাধিকারের নয়; ইউএন উইমেন দিয়েছে বিশেষভাবে নারী পুরুষ সমতায় অবদানের জন্য।
গ. শিশু মৃত্যুহার হ্রাস: শিশুমৃত্যু হ্রাসে সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ ২০১০ সালে এমডিজি পুরস্কার পেয়েছিল; সেটি আলাদা সম্মাননা।
ঘ. মাতৃ মৃত্যুহার হ্রাস: মাতৃমৃত্যু হ্রাস স্বাস্থ্য খাতের সূচক; প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি দেওয়া হয় লিঙ্গসমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে নেতৃত্বের জন্য।
ফিফটি ফিফটি মানে নারী পুরুষ অর্ধেক অর্ধেক, তাই উত্তর নারীর ক্ষমতায়ন।
পঞ্চাশ পঞ্চাশ মানে সমান সমান।