যোগরূঢ় শব্দ কোনটি?
সঠিক উত্তর
ঘশাখামৃগ
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটা অর্থ অনুযায়ী শব্দের শ্রেণি পরীক্ষা করছে: যৌগিক, রূঢ়ি আর যোগরূঢ়। যোগরূঢ় শব্দ সমাসে তৈরি, কিন্তু অংশগুলোর মিলিত অর্থ থেকে সরে একটা নির্দিষ্ট জিনিসকেই বোঝায়।
শাখামৃগ মানে আক্ষরিকভাবে শাখায় বিচরণকারী পশু। এমন পশু অনেক হতে পারে, যেমন কাঠবিড়ালি, কিন্তু শব্দটা শুধু বানরকেই বোঝায়। তাই এটা যোগরূঢ়, ঠিক যেমন পঙ্কজ মানে পদ্ম আর জলধি মানে সমুদ্র।
বাঁশি হলো রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ: বাঁশ থেকে তৈরি অনেক কিছু হতে পারে, কিন্তু বাঁশি বলতে শুধু বাদ্যযন্ত্রটাই বোঝায়, আর এটা সমাস নয়, প্রত্যয়ে গঠিত। কলম ও মলম আরবি থেকে আসা মৌলিক শব্দ, ভাঙা যায় না।
পার্থক্য মনে রাখুন: সমাসে গঠিত হয়ে বিশেষ অর্থ নিলে যোগরূঢ়, প্রত্যয়ে গঠিত হয়ে ভিন্ন অর্থ নিলে রূঢ়ি। বাঁশিকে যোগরূঢ় ভাবাই এখানে মূল ফাঁদ।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩সমাসে গঠিত + নির্দিষ্ট একটি অর্থ = যোগরূঢ় (পঙ্কজ, জলধি, রাজপুত)
- শব্দটি ভাঙি: শাখা + মৃগ।
- আক্ষরিক অর্থ: শাখায় বিচরণকারী পশু।
- কিন্তু বোঝায় শুধু বানর: সমাসে গঠিত, অর্থ বিশেষে সীমিত, তাই যোগরূঢ়।
ক. কলম: কলম আরবি থেকে আসা মৌলিক শব্দ; ভাঙা যায় না।
খ. মলম: মলম আরবি থেকে আসা মৌলিক শব্দ; ভাঙা যায় না।
গ. বাঁশি: বাঁশি রূঢ়ি শব্দ: বাঁশ + ই প্রত্যয়ে গঠিত, অর্থ বাদ্যযন্ত্রে সীমিত; সমাসে গঠিত নয়।
অপশনে সমাসে গঠিত শব্দ খুঁজুন, যার অর্থ একটি জিনিসে সীমিত; বাকিরা সাধারণত মৌলিক বা রূঢ়ি।
পঙ্কে জন্মায় অনেক কিছু, পঙ্কজ শুধু পদ্ম; শাখায় চলে অনেকে, শাখামৃগ শুধু বানর।