বিভক্তিযুক্ত শব্দ কোনটি?
সঠিক উত্তর
কসরোবরে
ব্যাখ্যা
বিভক্তি হলো সেই বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি, যা শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে তাকে বাক্যে ব্যবহারযোগ্য পদ বানায় এবং কারক সম্পর্ক বোঝায়। যেমন এ, তে, কে, র।
সরোবরে শব্দটি সরোবর আর এ বিভক্তি মিলে গঠিত। এখানে এ বিভক্তি স্থান বোঝাচ্ছে, অর্থাৎ অধিকরণ কারক: সরোবরে পদ্ম ফোটে।
বাকি তিনটিতে শেষের অংশ মূল শব্দেরই অংশ। চশমা ফারসি শব্দ; সরোজ মানে সরোবরে জন্মে যা, অর্থাৎ পদ্ম, এটি সমাসে গঠিত শব্দ; চম্পক মানে চাঁপা ফুল।
সূক্ষ্ম কথা: বাক্যে বসলে প্রতিটি শব্দেই বিভক্তি থাকে, কোথাও তা শূন্য বা অদৃশ্য। প্রশ্নটি দৃশ্যমান বিভক্তির কথা বলছে, তাই উত্তর সরোবরে। সরোজ বানানের মিল দেখে বিভ্রান্ত হবেন না।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩এ বিভক্তি = স্থান; যেমন ঘরে, বনে, ঢাকায়
- বিভক্তি শব্দের শেষে বসে কারক সম্পর্ক বোঝায়।
- সরোবরে ভাঙলে সরোবর আর এ বিভক্তি।
- এ বিভক্তি স্থান বোঝাচ্ছে: অধিকরণে সপ্তমী।
খ. চশমা: চশমা ফারসি থেকে আসা একটি মূল শব্দ; শেষের আ কোনো বিভক্তি নয়।
গ. সরোজ: সরোজ সরস আর জ মিলে গঠিত সমাসবদ্ধ শব্দ, অর্থ পদ্ম; এতে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
ঘ. চম্পক: চম্পক মানে চাঁপা ফুল; শেষের ক শব্দেরই অংশ, বিভক্তি নয়।
শব্দের শেষ অংশ সরালে বাকিটা পূর্ণ শব্দ হলে এবং সরানো অংশ কারক বোঝালে সেটি বিভক্তি: ঘরে, ছাদে, বাড়িতে।
শেষে এ বসলে জায়গা বোঝায়: সরোবরে।