কোন বাংলা গানকে ইউনেস্কো Heritage of Humanity অভিধায় ভূষিত করেছে?
সঠিক উত্তর
ঘবাউল গান
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ২০০৫ সালে বাংলাদেশের বাউল গানকে মানবতার মৌখিক ও অধরা ঐতিহ্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন ঘোষণা করে। পরে ২০০৮ সালে এটি অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক তালিকায় যুক্ত হয়।
বাউল গান মরমি সাধনার গান; দেহতত্ত্ব আর মনের মানুষের খোঁজ এর মূল বিষয়। লালন সাঁই এ ধারার সবচেয়ে পরিচিত নাম।
বাংলাদেশের অন্য অধরা ঐতিহ্যও একসঙ্গে মনে রাখুন: জামদানি বুননশিল্প, পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা, সিলেটের শীতলপাটি, আর ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র।
ভাটিয়ালিও লোকগান হওয়ায় ফাঁদ তৈরি করে, কিন্তু ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেয়েছে বাউল গান। রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত ব্যক্তিস্রষ্টার গান, এ তালিকায় নেই।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| বাংলাদেশের অধরা ঐতিহ্য | ইউনেস্কো স্বীকৃতি |
|---|---|
| স্বীকৃতির ধরন | মৌখিক ও অধরা ঐতিহ্য |
| বাউল গান | ২০০৫ সালে ঘোষণা |
| জামদানি বুননশিল্প | পরবর্তী স্বীকৃতি |
| মঙ্গল শোভাযাত্রা | পরবর্তী স্বীকৃতি |
| শীতলপাটি | পরবর্তী স্বীকৃতি |
| রিকশা ও রিকশাচিত্র | পরবর্তী স্বীকৃতি |
- ইউনেস্কো অধরা ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়।
- ২০০৫ সালে বাউল গান এই স্বীকৃতি পায়।
- বাংলাদেশের অন্য অধরা ঐতিহ্য: জামদানি, শীতলপাটি, মঙ্গল শোভাযাত্রা, রিকশাচিত্র।
ক. রবীন্দ্র সংগীত: রবীন্দ্র সংগীত একজন স্রষ্টার গান; ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি পায়নি।
খ. নজরুল সংগীত: নজরুল সংগীতও ব্যক্তিস্রষ্টার গান, ইউনেস্কোর অধরা ঐতিহ্যের তালিকায় নেই।
গ. ভাটিয়ালি গান: ভাটিয়ালি মাঝিমাল্লার লোকগান; লোকগান বলে ফাঁদ, কিন্তু স্বীকৃতি পেয়েছে বাউল গান।
ইউনেস্কোর তালিকায় বাংলাদেশের প্রথম নাম বাউল গান; পরে জামদানি, মঙ্গল শোভাযাত্রা, শীতলপাটি, রিকশাচিত্র।
বাউলের একতারা পৌঁছাল ইউনেস্কোয়।