দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের ইংরেজি অনুবাদক –
সঠিক উত্তর
ঘমাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটক ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। নীলকরদের অত্যাচারের চিত্র এতে এত তীব্র ছিল যে এটি নীল বিদ্রোহের প্রতীক হয়ে ওঠে।
১৮৬১ সালে নাটকটির ইংরেজি অনুবাদ নীল দর্পণ, অর ইন্ডিগো প্ল্যান্টিং মিরর প্রকাশিত হয়। অনুবাদকের নাম ছাপা ছিল শুধু এ নেটিভ, তবে প্রচলিত মতে অনুবাদক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
অনুবাদটি প্রকাশ করেন রেভারেন্ড জেমস লং। এ জন্য তাঁর জরিমানা ও কারাদণ্ড হয়, আর জরিমানার টাকা কালীপ্রসন্ন সিংহ পরিশোধ করেন বলে প্রচলিত আছে।
ফাঁদ বিদ্যাসাগর, কারণ তিনি অনুবাদে পারদর্শী ছিলেন; আর মার্শম্যান নাম মিশনারি প্রকাশনার জন্য পরিচিত। কিন্তু নীলদর্পণের অনুবাদের সঙ্গে প্রচলিতভাবে মধুসূদনের নামই যুক্ত।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩- ১৮৬০নীলদর্পণ প্রকাশ, ঢাকা
- ১৮৬১ইংরেজি অনুবাদ, এ নেটিভ ছদ্মনামে
- ১৮৬১অনুবাদক মধুসূদন, প্রকাশক জেমস লং
- নীলদর্পণ প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালে।
- ১৮৬১ সালে ইংরেজি অনুবাদ, অনুবাদকের নাম ছিল এ নেটিভ।
- প্রচলিত মতে অনুবাদক মধুসূদন, প্রকাশক জেমস লং।
ক. জশুয়া মার্শম্যান: শ্রীরামপুর মিশনের মার্শম্যানরা মিশনারি প্রকাশনার জন্য পরিচিত; নীলদর্পণ অনুবাদের সঙ্গে তাঁদের নাম যুক্ত নয়।
খ. ডেভিড হেয়ার: ডেভিড হেয়ার শিক্ষাবিস্তারে, বিশেষ করে হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকার জন্য পরিচিত; অনুবাদক নন।
গ. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: বিদ্যাসাগর সংস্কৃত ও ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করতেন; নীলদর্পণের ইংরেজি অনুবাদক হিসেবে তাঁর নাম নেই।
নীলদর্পণ: লেখক দীনবন্ধু, অনুবাদক মধুসূদন, প্রকাশক জেমস লং।
দীনবন্ধুর দর্পণ, মধুর ইংরেজি, লংয়ের জেল।