আমাদের সম্পর্কে
প্রশ্নব্যাংক নতুন · ফ্রি৩,০২১টি আসল বিসিএস প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহসমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য৪৬তম বিসিএস (২০২৪)

'তৈল' প্রবন্ধটি লিখেছেন –

সঠিক উত্তর

ঘহরপ্রসাদ শাস্ত্রী

ব্যাখ্যা

তৈল হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ। এতে তোষামোদকে তৈলমর্দন বলে কটাক্ষ করা হয়েছে; তেল দিলে সব কাজ সহজে চলে, এই বিদ্রূপই প্রবন্ধের প্রাণ।

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আরও বড় কারণে স্মরণীয়: ১৯০৭ সালে তিনি নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে তা প্রকাশ করেন।

অন্য তিনজনের পরিচয়: সুকুমার রায় শিশুসাহিত্যিক, আবোল তাবোলের কবি; রমেশচন্দ্র মজুমদার ইতিহাসবিদ; শিবনারায়ণ রায় প্রাবন্ধিক ও জিজ্ঞাসা পত্রিকার সম্পাদক।

ফাঁদ সুকুমার রায়, কারণ রসরচনা শুনলেই তাঁর নাম মনে আসে। কিন্তু তৈল প্রবন্ধটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর।

স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন

৩/৩
ব্যক্তিপরিচয়
সুকুমার রায়আবোল তাবোল, শিশুসাহিত্য
রমেশচন্দ্র মজুমদারইতিহাসবিদ
শিবনারায়ণ রায়প্রাবন্ধিক, জিজ্ঞাসা পত্রিকা
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীতৈল প্রবন্ধ, চর্যাপদ আবিষ্কার
  1. তৈল একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ, বিষয় তোষামোদ।
  2. এর লেখক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
  3. তিনিই ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল

ক. সুকুমার রায়: সুকুমার রায় আবোল তাবোলের মতো রসরচনার জন্য পরিচিত; তৈল প্রবন্ধ তাঁর নয়।

খ. রমেশচন্দ্র মজুমদার: রমেশচন্দ্র মজুমদার ইতিহাসবিদ; এই ব্যঙ্গপ্রবন্ধ তাঁর লেখা নয়।

গ. শিবনারায়ণ রায়: শিবনারায়ণ রায় প্রাবন্ধিক ও সম্পাদক; তৈল তাঁর রচনা নয়।

শর্টকাট

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: তৈল প্রবন্ধ, চর্যাপদ আবিষ্কার ১৯০৭, প্রকাশ ১৯১৬।

মনে রাখুন

চর্যা খুঁজে আনলেন, তেলে খোঁচা দিলেন: হরপ্রসাদ।