'তৈল' প্রবন্ধটি লিখেছেন –
সঠিক উত্তর
ঘহরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
তৈল হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ। এতে তোষামোদকে তৈলমর্দন বলে কটাক্ষ করা হয়েছে; তেল দিলে সব কাজ সহজে চলে, এই বিদ্রূপই প্রবন্ধের প্রাণ।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আরও বড় কারণে স্মরণীয়: ১৯০৭ সালে তিনি নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে তা প্রকাশ করেন।
অন্য তিনজনের পরিচয়: সুকুমার রায় শিশুসাহিত্যিক, আবোল তাবোলের কবি; রমেশচন্দ্র মজুমদার ইতিহাসবিদ; শিবনারায়ণ রায় প্রাবন্ধিক ও জিজ্ঞাসা পত্রিকার সম্পাদক।
ফাঁদ সুকুমার রায়, কারণ রসরচনা শুনলেই তাঁর নাম মনে আসে। কিন্তু তৈল প্রবন্ধটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৩/৩| ব্যক্তি | পরিচয় |
|---|---|
| সুকুমার রায় | আবোল তাবোল, শিশুসাহিত্য |
| রমেশচন্দ্র মজুমদার | ইতিহাসবিদ |
| শিবনারায়ণ রায় | প্রাবন্ধিক, জিজ্ঞাসা পত্রিকা |
| হরপ্রসাদ শাস্ত্রী | তৈল প্রবন্ধ, চর্যাপদ আবিষ্কার |
- তৈল একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ, বিষয় তোষামোদ।
- এর লেখক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
- তিনিই ১৯০৭ সালে নেপাল থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
ক. সুকুমার রায়: সুকুমার রায় আবোল তাবোলের মতো রসরচনার জন্য পরিচিত; তৈল প্রবন্ধ তাঁর নয়।
খ. রমেশচন্দ্র মজুমদার: রমেশচন্দ্র মজুমদার ইতিহাসবিদ; এই ব্যঙ্গপ্রবন্ধ তাঁর লেখা নয়।
গ. শিবনারায়ণ রায়: শিবনারায়ণ রায় প্রাবন্ধিক ও সম্পাদক; তৈল তাঁর রচনা নয়।
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: তৈল প্রবন্ধ, চর্যাপদ আবিষ্কার ১৯০৭, প্রকাশ ১৯১৬।
চর্যা খুঁজে আনলেন, তেলে খোঁচা দিলেন: হরপ্রসাদ।