জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল নীতিমালা কত সালে পাশ হয়?
সঠিক উত্তর
গ২০১২
ব্যাখ্যা
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল পাস বা অনুমোদন হয় দুই হাজার বারো সালে। মন্ত্রিসভা এটি অনুমোদন দেয় দুই হাজার বারো সালের আঠারো অক্টোবর, আর এর বাস্তবায়নের দায়িত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রশ্নে নীতিমালা শব্দটি থাকলেও দলিলটির আনুষ্ঠানিক নাম 'সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়: জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল'। এটি আইন নয়, সরকারের একটি কৌশলপত্র।
কৌশলটির আওতায় প্রতিটি মন্ত্রণালয় ও দপ্তর প্রতি বছর শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে, নৈতিকতা কমিটি গঠন করে, এবং ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে শুদ্ধাচার পুরস্কার দেওয়া হয়।
দুই হাজার আঠারো সাল ফাঁদ, কারণ ওই বছর সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা আসে। দুই হাজার দশ ও এগারো কাছাকাছি সাল বলে বিভ্রান্তি তৈরি করে।
স্টেপ বাই স্টেপ শিখুন
৪/৪- ২০০৪দুর্নীতি দমন কমিশন আইন
- ২০০৯তথ্য অধিকার আইন
- ২০১২জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল, ১৮ অক্টোবর
- ২০১৮সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা
- ২০০৪: দুর্নীতি দমন কমিশন আইন।
- ২০০৯: তথ্য অধিকার আইন।
- ১৮ অক্টোবর ২০১২: জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল অনুমোদন।
- ২০১৮: সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা; ফাঁদ।
ক. ২০১০: ২০১০ সালে কৌশলটি অনুমোদিত হয়নি; অনুমোদন ২০১২ সালের ১৮ অক্টোবর।
খ. ২০১১: ২০১১ সালে নয়; ওই বছর এসেছে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশ (সুরক্ষা প্রদান) আইন।
ঘ. ২০১৮: ২০১৮ সালে এসেছে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, শুদ্ধাচার কৌশল নয়।
শুদ্ধাচার = ২০১২; শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা = ২০১৮।
বারো মাসে শুদ্ধ থাকো: শুদ্ধাচার দুই হাজার বারো।